বাতায়ন/তৈমুর
খান সংখ্যা/কবিতাণু/৩য় বর্ষ/৩২তম সংখ্যা/১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২
তৈমুর খান সংখ্যা | কবিতাণু
সলিল মুখোপাধ্যায়
স্বপ্নভঙ্গ ও
অন্যান্য
স্বপ্নভঙ্গ
একটু হলেও দেব স্নিগ্ধ ছায়া,
হব খানিক তৃষাহরা ধারা বরিষণ, ভেবে,
ভালবেসে মেঘ হয়ে জড়ো হতে
থাকি।
কতটুকু বা পারি! তার উপর
ভিলেন হাওয়া ছত্রখান, লণ্ডভণ্ড, পণ্ড করে—
উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে ফেলে কোন অজানায়!
ভাবনা
এক অবুঝ পাখি
জগৎ ছুটছে, সময়ও ছুটছে, পিছে পিছে ছুটছি;
সময়ের নাগাল পাই না, যে, ভাবনাকে দেব!
তাই নির্ভাবনায় থাকতে চেয়ে
বুঝিয়ে শুনিয়ে
তাকে খাঁচা খুলে উড়িয়ে দিতে চাই, যায় না।
তাকে ভোলারও জো নেই, সে ভবী, ভোলে না,
ভুলতে দেয় না; খুঁচিয়ে রক্তাক্ত করেই চলে!
ছেলেবেলার
বন্ধুরা
ঝাঁক-বাঁধা মুখগুলো রোদ-ঝলমলে
প্রভা ছিল,
বসন্তের মন-উড়ুউড়ু দখিনা
বাতাস ছিল;
সময়ের গড়ে দেওয়া দূরত্বে
আজ তারা নিজ নিজ বৃত্তে
আর, স্মৃতি-কুয়াশার ওইপারে।
দূর থেকে উঁকি দিয়ে ভারাতুর করে মনটা!
যদি কেউ এসে পড়ে কোনদিন, ডাকে,
আমি এখনও খুলে রাখি মনের
দরজাটাকে।
মাশুল
মন যখন জ্বলন্ত জাহাজ, তখনও,
শুরুতেই দ্বিধায় জবাব দিতে
যাদের নামাইনি,
ডেকে দাঁড়িয়ে সেই অনুগত
সৈনিক শব্দরা—
আমার নির্দেশের অপেক্ষায়।
তারা জানে না, আমি, তাদের অধিনায়ক,
বহু আগেই ডুবে গেছি আগুনের
তলায়।
শেষে
আগুন তাদেরও পোড়ায়!
তৈমুর খান সংখ্যা | কবিতাণু
সলিল মুখোপাধ্যায়
ভিলেন হাওয়া ছত্রখান, লণ্ডভণ্ড, পণ্ড করে—
উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে ফেলে কোন অজানায়!
তাকে খাঁচা খুলে উড়িয়ে দিতে চাই, যায় না।
আজ তারা নিজ নিজ বৃত্তে
আর, স্মৃতি-কুয়াশার ওইপারে।
দূর থেকে উঁকি দিয়ে ভারাতুর করে মনটা!
যদি কেউ এসে পড়ে কোনদিন, ডাকে,
আমার নির্দেশের অপেক্ষায়।
আগুন তাদেরও পোড়ায়!

No comments:
Post a Comment