বাতায়ন/তৈমুর
খান সংখ্যা/কবিতা/৩য় বর্ষ/৩২তম
সংখ্যা/১১ই অগ্রহায়ণ,
১৪৩২
তৈমুর খান সংখ্যা | কবিতা
পারমিতা
চ্যাটার্জি
ভাইয়ের
কপালে দিলাম ফোঁটা
অন্দরের দরজাটা বন্ধই থাকে
মাঝে মাঝে হঠাৎ হাওয়ায় ধাক্কা লাগে
খুলে যায় উন্মুক্ত হয়ে।
হাওয়ায় দোল খেতে খেতে ভুলে যাওয়া মুহূর্তগুলো ঢুকে পড়ে মনটাকে দখল করে অযাচিত হয়ে।
ভাইফোঁটার দিনটায় যেন মনের
কোণটা ভার হয়ে ওঠে
যা মনে রাখা উচিত নয় তাই মনে আসে
বেদনার রং ভাসে মনের আয়নায়।
কে যেন আসত...
কাকে যেন ফোঁটা দিতাম...
হায়রে সম্পর্ক...
এত অবহেলা, এত অপমানের পর
সম্পর্কের টানটা যেন সরু সুতোর ডগায় লেগে থাকে
ছিঁড়ে ফেলে দিতে পারিনা কিছুতেই
অনাহূত অশ্রু ভরে আসে চোখে
কিন্তু কেন?
এই কেনর উত্তর সত্যি কি আছে?
কী করে ভুলে
যাই সেই মুহূর্তটাকে
যেদিন দই আর চন্দনের ফোঁটা দিয়ে
মিষ্টির থালা সামনে রেখে
কাউকে বলতাম...
ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা।
আজ সে সম্পর্কের সুতোটা ছিঁড়ে দিয়েছে
হয়তো আমিও দিয়েছি এক বেদনাঘন অভিমানে।
সে তো থাকে আমার অন্দরের বন্ধ ঘরটায়
আজকের দিনেই কেন যে দরজাটা খুলে যায় জানিনা...
নিজের অজান্তেই বলে ফেলি...
ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা,
যমের দুয়ারে পড়ল কাঁটা।
তৈমুর খান সংখ্যা | কবিতা
মাঝে মাঝে হঠাৎ হাওয়ায় ধাক্কা লাগে
খুলে যায় উন্মুক্ত হয়ে।
হাওয়ায় দোল খেতে খেতে ভুলে যাওয়া মুহূর্তগুলো ঢুকে পড়ে মনটাকে দখল করে অযাচিত হয়ে।
যা মনে রাখা উচিত নয় তাই মনে আসে
বেদনার রং ভাসে মনের আয়নায়।
কাকে যেন ফোঁটা দিতাম...
হায়রে সম্পর্ক...
এত অবহেলা, এত অপমানের পর
সম্পর্কের টানটা যেন সরু সুতোর ডগায় লেগে থাকে
ছিঁড়ে ফেলে দিতে পারিনা কিছুতেই
অনাহূত অশ্রু ভরে আসে চোখে
কিন্তু কেন?
যেদিন দই আর চন্দনের ফোঁটা দিয়ে
মিষ্টির থালা সামনে রেখে
কাউকে বলতাম...
ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা।
আজ সে সম্পর্কের সুতোটা ছিঁড়ে দিয়েছে
হয়তো আমিও দিয়েছি এক বেদনাঘন অভিমানে।
সে তো থাকে আমার অন্দরের বন্ধ ঘরটায়
আজকের দিনেই কেন যে দরজাটা খুলে যায় জানিনা...
নিজের অজান্তেই বলে ফেলি...
ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা,

No comments:
Post a Comment