বাতায়ন/চৈতি
হাওয়া—নববর্ষ/কবিতাণু/৪র্থ বর্ষ/১ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ,
১৪৩৩
চৈতি হাওয়া—নববর্ষ | কবিতাণু
সলিল মুখোপাধ্যায়
আবাহন
ও অন্যান্য
আবাহন
চৈতি হাওয়ার শুষ্কতা, তাপ
ভিজিয়ে নেব, জুড়িয়ে নেব কালবৈশাখীতে।
সংকল্প তার লিখে রাখি মনের পাতায়।
এসো সরস তৃষাহরা সুধা,
তোমার আগমন ঘন আবেশে মাতায়!
চলা
শেষের চৈতি-বিকেল প্রহর গোনে
বিদায় নেবে
তার আগে সে ব্যস্ত থাকে
বছরটাতে কী পেরেছে, কী পারেনি তার হিসেবে।
রাত পোহালেই বোশেখ আনে আশার জোয়ার
আবার এঁকে নকশাটাকে
নতুন করে মন লাগিয়ে সফলতার চূড়ো ছোঁয়ার।
আবর্তন
অনেকেরই বৈশাখের পয়লায়
পৌঁছে
এক শুভ সম্ভাবনার উঠোনে পা রাখা
তারপর পরিক্রমা পথে
ক্ষতবিক্ষত পদচিহ্ন রেখে
আবার পয়লার দোরগোড়ায় দাঁড়ানো!
বিদায়
বার্তা
পুরোনো ক্যালেন্ডার থেকে নেমে
শেষ তারিখটা পা বাড়াতে গিয়ে
পিছু ফিরে স্মিত হেসে হাত নাড়ল, আর
বেদনার্ত চোখে চেয়ে বলল,
নতুন সূর্য এসে জানালায়
লিখবে আশা,
বাতাসে ভাসবে উৎসবের গন্ধ—
আসি তবে, ভুলগুলো পেছনে রেখে
সামনে হাঁটার সাহস নিয়ে আবার শুরু কোরো!
সলিল মুখোপাধ্যায়
ভিজিয়ে নেব, জুড়িয়ে নেব কালবৈশাখীতে।
সংকল্প তার লিখে রাখি মনের পাতায়।
এসো সরস তৃষাহরা সুধা,
তার আগে সে ব্যস্ত থাকে
বছরটাতে কী পেরেছে, কী পারেনি তার হিসেবে।
রাত পোহালেই বোশেখ আনে আশার জোয়ার
আবার এঁকে নকশাটাকে
নতুন করে মন লাগিয়ে সফলতার চূড়ো ছোঁয়ার।
এক শুভ সম্ভাবনার উঠোনে পা রাখা
তারপর পরিক্রমা পথে
ক্ষতবিক্ষত পদচিহ্ন রেখে
আবার পয়লার দোরগোড়ায় দাঁড়ানো!
শেষ তারিখটা পা বাড়াতে গিয়ে
পিছু ফিরে স্মিত হেসে হাত নাড়ল, আর
বেদনার্ত চোখে চেয়ে বলল,
আসি তবে, ভুলগুলো পেছনে রেখে
সামনে হাঁটার সাহস নিয়ে আবার শুরু কোরো!

No comments:
Post a Comment