বাতায়ন/নারী না পুরুষ/কবিতা/৪র্থ
বর্ষ/১০ম সংখ্যা/৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩
নারী না পুরুষ
কবিতা
বিকাশ চন্দ
আঁজলা ভর্তি শব্দে কবির দেহদান
ভেতরে
পুড়ছিল অক্ষর,
পাঁজরভরা
শব্দেরা ছিল নিরুত্তর।
মানুষ যেমন ছিল, ভেতরে-বাইরে একই বদ্ধ খাঁচায়,
ভেসে
যাচ্ছিল পোশাক-আশাক ভাষার বিলাসে।
অমৃত সদনে ঝুঁকে পড়ে পিঠের দাঁড়া নিজের অজান্তে,
কেউ
কেউ হিসেব মেলাচ্ছিল মানুষের শ্রেণি-চক্রে।
কখনো নুয়ে পড়ে বলেনি অজেয় উচ্চারণে,
একবারও
বলেনি নিজেকে পোড়ানোর আগে—
বারবার পুড়িয়ে যাব সকল মিথ্যেবাদী হুকুম।
মা-বাবা জানত না, এ শরীর কখনো কি ক্রীতদাস হবে!
ভেতরে গোঁজ হয়ে বসে সাজাল শব্দের মিনার।
শব্দেরা দেখেছিল জয়োৎসব, জাগরণী—
অথচ কোনো শিল্পীর তুলি কি রঙে আগুন আঁকে?
সাদা-কালো, নাকি নিহিত শব্দে অযুত
অশ্রুধারা?
বেঁচে
থাকার মহত্ত্বটুকু—মাথানত পুতুল সে কি?
বাহ্! নিজেই শিখে গেছে
নিজেকে পোড়ানোর বিদ্যে।
নামাঙ্কিত নারী-পুরুষ ছিল না,
ছিল
প্রেয়সী পরম্পরা।
বেঁচে থাকার আবেগে গলে পড়ছিল আর-একটা শরীর।
এখন সময়—
আঁজলা ভর্তি শব্দে কবির দেহদান।
নারী না পুরুষ
কবিতা
বিকাশ চন্দ
আঁজলা ভর্তি শব্দে কবির দেহদান
মানুষ যেমন ছিল, ভেতরে-বাইরে একই বদ্ধ খাঁচায়,
অমৃত সদনে ঝুঁকে পড়ে পিঠের দাঁড়া নিজের অজান্তে,
কখনো নুয়ে পড়ে বলেনি অজেয় উচ্চারণে,
বারবার পুড়িয়ে যাব সকল মিথ্যেবাদী হুকুম।
মা-বাবা জানত না, এ শরীর কখনো কি ক্রীতদাস হবে!
ভেতরে গোঁজ হয়ে বসে সাজাল শব্দের মিনার।
শব্দেরা দেখেছিল জয়োৎসব, জাগরণী—
অথচ কোনো শিল্পীর তুলি কি রঙে আগুন আঁকে?
নামাঙ্কিত নারী-পুরুষ ছিল না,
বেঁচে থাকার আবেগে গলে পড়ছিল আর-একটা শরীর।
এখন সময়—
আঁজলা ভর্তি শব্দে কবির দেহদান।

No comments:
Post a Comment