বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক/কবিতা/২য়
বর্ষ/৩য়/বীথি চট্টোপাধ্যায় সংখ্যা/১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১
কবিতা
স্মরজিৎ ব্যানার্জি
সুকুমার
সেদিন তোমাকে স্টেশনে
দেখলাম
নিস্তব্ধ দুপুরে যখন মাটি ফেটে ফুটিফাটা, কপালের ঘামও যখন উড়ে যাচ্ছে বাষ্প হয়ে
তেমন এক দুপুরে তুমি দাঁড়িয়ে আছ একেবারে একা।
নিস্তব্ধ দুপুরে যখন মাটি ফেটে ফুটিফাটা, কপালের ঘামও যখন উড়ে যাচ্ছে বাষ্প হয়ে
তেমন এক দুপুরে তুমি দাঁড়িয়ে আছ একেবারে একা।
আমি পিছন থেকে ডাকলাম
সুকুমার তারপর এগিয়ে গেলাম কিংবা হয়তো বাধ্য হলাম, অসহিষ্ণু জনতা আমাকে ঠেলে দিল
সামনের দিকে
তুমি হয়তো তাকিয়েছিলে কিন্তু আমাকে দেখতে পাওনি,
আমি কিন্তু চিনেছি তোমাকে আমাদের কলেজের কবি কবি চেহারার সেই লাজুক ছেলেটা
কবিতার জন্য যে জাগতে পারত রাতের পর রাত।
কিন্তু কাল যাকে দেখলাম সে কি তুমি!
ঘামে ভেজা জামাটা লেপ্টে আছে শরীরের সাথে, নিদারুণ ক্লান্তিতে ভেঙে আসছে হাঁটু দুটো
কাঁধের ব্যাগটায় চকচক করেছে কোম্পানির লোগো,
ছন্দের রঙিন দুনিয়ার ছেলেটা আজ একজন নেহাতই সেলসম্যান।
মনে হল গিয়ে জানতে চাই বন্ধু কবিতা লিখছ এখনো, সাহস হলো না আর
কে জানে তোমার দশটা-পাঁচটা রুটিনে সেই কবিতাগুলো আজও বেঁচে আছে কিনা।
তুমি হয়তো তাকিয়েছিলে কিন্তু আমাকে দেখতে পাওনি,
আমি কিন্তু চিনেছি তোমাকে আমাদের কলেজের কবি কবি চেহারার সেই লাজুক ছেলেটা
কবিতার জন্য যে জাগতে পারত রাতের পর রাত।
কিন্তু কাল যাকে দেখলাম সে কি তুমি!
ঘামে ভেজা জামাটা লেপ্টে আছে শরীরের সাথে, নিদারুণ ক্লান্তিতে ভেঙে আসছে হাঁটু দুটো
কাঁধের ব্যাগটায় চকচক করেছে কোম্পানির লোগো,
ছন্দের রঙিন দুনিয়ার ছেলেটা আজ একজন নেহাতই সেলসম্যান।
মনে হল গিয়ে জানতে চাই বন্ধু কবিতা লিখছ এখনো, সাহস হলো না আর
কে জানে তোমার দশটা-পাঁচটা রুটিনে সেই কবিতাগুলো আজও বেঁচে আছে কিনা।

খুব সুন্দর
ReplyDelete