বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক/গল্পাণু/২য়
বর্ষ/৬ষ্ঠ/যশোধরা রায়চৌধুরী সংখ্যা/২১শে আষাঢ়, ১৪৩১
যশোধরা রায়চৌধুরী সংখ্যা | গল্পাণু
কমলকুমার মণ্ডল
স্নান
"বেলা অনেকটা পশ্চিমে ঢলে পড়েছে। দু চোখ টকটকে লাল। তবুও মন চায় না বাড়ি ফিরতে। অনেকদিন পর সুফল এতটা সময় ধরে পাড়ার বন্ধুদের সাথে মজা করল। হঠাৎ মায়ের মুখটা মনে পড়ে সুফলের।"
সারা পাড়া খুঁজে রাগে
গজগজ করতে করতে শকুন্তলাদেবী বাড়ির দাওয়ায় এসে বসে। মনেমনে বলে- আজকে ছেলেকে
মেরেই ফেলবে সে।
এই প্রখর গরমে সেই সকাল
দশটায় বাড়ি থেকে বেরিয়েছে সুফল। প্রথমে ঘন্টাখানেক ডাংগুলি আর পাড়ার আম বাগানে
গেছমেছ খেলার শেষে দলবেঁধে সব ছেলে-ছোকরার দল গা-ভাসিয়ে দেয় চূর্ণীর জলে।
যদিও আগের মতো আর নেই
চূর্ণীর সেই রূপ। দুকূল উঁচু গভীর জল। নিয়মিত জোয়ার-ভাটা আর জেলেদের ইতিউতি মাছ
ধরা- এখন অতীত। নদীর বুকে জেগে উঠেছে চড়া। অনেক জায়গাতেই হেঁটেই এপার-ওপার করা
যায়। এসব ভাবনায় নেই সুফলদের। অগভীর চূর্ণীর জলে ওরা কখনো ছোঁয়াছুঁয়ি আবার
কখনো কুমির কুমির খেলায় মাতে ঘন্টার পর ঘন্টা। ডুব সাঁতারে কে কতটা যেতে পারে তাই
নিয়ে চলে রেষারেষি। আর নদীর পাড় থেকে ডিগবাজি খেয়ে জলে না পড়লে তো স্নানই হয়
না।
বেলা অনেকটা পশ্চিমে ঢলে পড়েছে। দু চোখ টকটকে লাল। তবুও মন চায় না বাড়ি ফিরতে। অনেকদিন পর সুফল এতটা সময় ধরে পাড়ার বন্ধুদের সাথে মজা করল। হঠাৎ মায়ের মুখটা মনে পড়ে সুফলের। না আর দেরি না। সুফল ধীরে ধীরে বাড়ির পথ ধরে।
বেলা অনেকটা পশ্চিমে ঢলে পড়েছে। দু চোখ টকটকে লাল। তবুও মন চায় না বাড়ি ফিরতে। অনেকদিন পর সুফল এতটা সময় ধরে পাড়ার বন্ধুদের সাথে মজা করল। হঠাৎ মায়ের মুখটা মনে পড়ে সুফলের। না আর দেরি না। সুফল ধীরে ধীরে বাড়ির পথ ধরে।
সমাপ্ত

No comments:
Post a Comment