বাতায়ন/অতিরিক্ত বিশেষ সংখ্যা/মুখর/কবিতা/২য় বর্ষ/১১তম/৩০শে শ্রাবণ,
১৪৩১
মুখর | কবিতা
দেবব্রত রায়
এসব কোন রোগের সিম্পটম
তাহলে কি শূন্য পাওয়া খাতাগুলোই পাহাড়
থেকে জঙ্গল সামলাবে আর একশোয়-একশো পাওয়া মেঘ, নদী, সমুদ্রগুলো একে-একে নিরানব্বই,
আটানব্বই, সাতানব্বই... হয়ে যাবে
জিরো ব্যালান্সের অ্যাকাউন্টে সাপকে ব্যাং লেখা
থাকলে, আমরাও কি একসুরে ঘ্যাঙর-ঘ্যাঙর-ঘ্যাঙ বলে উল্লাস করব
এমনকি গাইয়ে-লিখিয়ে-ব্যাংরাও, এইসব দাগিয়ে
দেওয়ার বিরুদ্ধে টু-শব্দটিও করে না
কারণ তারা বোধহয়, কুয়োয় শীত-ঘুম সেলিব্রেট করছে
কামদুনির পর ক্লিনিক্যাল-টেস্ট করে
দেখেছিলাম, আমাদের মাথার মতো কিডনি,
লাং, লিভার, হার্টেও
অক্সিজেন কম পৌঁছাচ্ছে এবং ল্যাজের সঙ্গে শিরদাঁড়াটা বাইরে বেরিয়ে আসতে চাইছে
এসব কোন রোগের সিম্পটম
মেয়ের চিতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আপনার
বাবা-মা একজন নির্ভয়ার মা হয়ে উঠতে পারেননি
কিন্তু আজ এবং আজীবন আপনি আমাদেরও...
কারণ তারা বোধহয়, কুয়োয় শীত-ঘুম সেলিব্রেট করছে
বাবা-মা একজন নির্ভয়ার মা হয়ে উঠতে পারেননি
কিন্তু আজ এবং আজীবন আপনি আমাদেরও...

অনবদ্য কবিতা। আমাদের মনের কথাগুলো দারুণভাবে তুলে ধরেছেন।
ReplyDeleteভালো লাগলো
ReplyDeleteভালো লাগলো
ReplyDeleteআমার প্রিয় এবং শ্রদ্ধেয় পাঠকদের অজস্র ধন্যবাদ জানাই। আপনাদের মতামতের জন্য
ReplyDeleteআমি গর্বিত। যাঁরা মতামত দেননি তাঁদের জন্যও।
খুব ভালো লেখা।
ReplyDeleteজ্বরকেই যদি একমাত্র অসুখ হিসাবে ট্রিট করা হয়, তবে সে ডাক্তার বা রুগি যেই হোক ভুল করবে -- বোঝাই হবে না যে ওটা অসুখ নয় অসুখের লক্ষণ ছিল মাত্র!
অজস্র ধন্যবাদ আপনাকে
ReplyDeleteখুব ভালো লেখা!
ReplyDelete