বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক/কবিতা/২য় বর্ষ/৯ম/অমিতাভ গুপ্ত সংখ্যা/১৮ই
শ্রাবণ, ১৪৩১
অমিতাভ গুপ্ত সংখ্যা | কবিতা
জয়তী ব্যানার্জী
জীবনের সংজ্ঞা
শুনেছ
কি?
হতে পারে-
কোন গুহার ভেতর, কিংবা সবুজ ঘাসের বনে, কিংবা পাথর কাঠ ইটের চার দেয়ালের মধ্যে, কিংবা একটা বন্ধুর রাস্তার মাঝে-
একেবারেই মাঝখানে…
কিন্তু,
তুমি কিন্তু পেছনে ফিরো না
ফিরে এসো না—
যেখানে তোমার মা বসে আছে
পিদিম জ্বালিয়ে,
তোমারই ফেরার অপেক্ষায়।
তাইতো,
তুমি পিছনে ফিরো না— ফিরতে চাইলেও
ফিরতে পারবে কী? চাইলেও কি ফিরতে পারবে তুমি!
হয়তো,
ওরা শত্রুপক্ষ কিংবা হতে পারে কখনো সুসময়ের বন্ধু-
যদি দেখো,
মেশিনগানটা হয়তো বা তাক করে আছে তোমার দিকে-
তুমি কী করবে,
জানি না
ভয় পালিয়ে যাবে নাকি গো?
নাকি,
এড়িয়ে যাবে এসব কিছু, আবার কিছু সময়ের ব্যবধানে বন্ধুহীন হয়ে পড়বে; পাশের জনের হাতটাও যাবে বোধহয় ফসকে, সেটা ধরবারও কি সাধ্য নেই তোমার?
কিন্তু কেন,
এর উত্তর তো তোমার জানা।
সেও যে পালাতে ব্যস্ত;
সে ও তো মুক্তি চায়। কিন্তু পায় কি?
তবে, কী করবে তুমি?
জানি না—
শুধু তাই জানি, যা তুমিও জানো;
এটাই কী চেতনা! এটাই কী প্রেয়সীর না বলা চিঠি।
এটা কী জীবনের বাস্তবতা?
এভাবেই যে বাঁচতে হয় বাঁচাতে হয়…
আবার যে প্রশ্ন জাগে,
সত্যিই কি এভাবে বাঁচা যায়?
যদি যায় তবে কী আমি রক্তমাংসের মানুষ?
না নাগো না,
আমি যে মান-হুঁশ সম্পন্ন মানুষ,
তাই যদি হতেম- তবে কি পারব না একসাথে বাঁচতে।
পারব, পারতে যে আমাদের হবেই!
এসো, বেঁচেবর্তে থাকি; তুমি আমার হাতটা ধরো আর আমি ধরি অন্যের হাত; আমরা থাকি
আরো বেঁধে বেঁধে,
আরো গা ঘেঁষাঘেষি করে,
এসো-না সবাই মিলে সকলে মিলে তৈরি করি এক
নতুন জীবন
যেখানে থাকবে শুধুই-
যেখানে শিশুরা থাকবে জুড়ে পৃথিবীর অর্ধেক আকাশ।
চাই আলো
চাই বায়ু
চাই মুক্ত জীবন
তৈরি হোক জীবনের নতুন সংজ্ঞা।
কোন গুহার ভেতর, কিংবা সবুজ ঘাসের বনে, কিংবা পাথর কাঠ ইটের চার দেয়ালের মধ্যে, কিংবা একটা বন্ধুর রাস্তার মাঝে-
একেবারেই মাঝখানে…
কিন্তু,
তুমি কিন্তু পেছনে ফিরো না
ফিরে এসো না—
যেখানে তোমার মা বসে আছে
পিদিম জ্বালিয়ে,
তোমারই ফেরার অপেক্ষায়।
তাইতো,
তুমি পিছনে ফিরো না— ফিরতে চাইলেও
ফিরতে পারবে কী? চাইলেও কি ফিরতে পারবে তুমি!
হয়তো,
ওরা শত্রুপক্ষ কিংবা হতে পারে কখনো সুসময়ের বন্ধু-
যদি দেখো,
মেশিনগানটা হয়তো বা তাক করে আছে তোমার দিকে-
তুমি কী করবে,
জানি না
ভয় পালিয়ে যাবে নাকি গো?
নাকি,
এড়িয়ে যাবে এসব কিছু, আবার কিছু সময়ের ব্যবধানে বন্ধুহীন হয়ে পড়বে; পাশের জনের হাতটাও যাবে বোধহয় ফসকে, সেটা ধরবারও কি সাধ্য নেই তোমার?
কিন্তু কেন,
এর উত্তর তো তোমার জানা।
সেও যে পালাতে ব্যস্ত;
সে ও তো মুক্তি চায়। কিন্তু পায় কি?
তবে, কী করবে তুমি?
জানি না—
শুধু তাই জানি, যা তুমিও জানো;
এটাই কী চেতনা! এটাই কী প্রেয়সীর না বলা চিঠি।
এটা কী জীবনের বাস্তবতা?
এভাবেই যে বাঁচতে হয় বাঁচাতে হয়…
আবার যে প্রশ্ন জাগে,
সত্যিই কি এভাবে বাঁচা যায়?
যদি যায় তবে কী আমি রক্তমাংসের মানুষ?
না নাগো না,
আমি যে মান-হুঁশ সম্পন্ন মানুষ,
তাই যদি হতেম- তবে কি পারব না একসাথে বাঁচতে।
পারব, পারতে যে আমাদের হবেই!
এসো, বেঁচেবর্তে থাকি; তুমি আমার হাতটা ধরো আর আমি ধরি অন্যের হাত; আমরা থাকি
আরো বেঁধে বেঁধে,
আরো গা ঘেঁষাঘেষি করে,
এসো-না সবাই মিলে সকলে মিলে তৈরি করি এক
নতুন জীবন
যেখানে থাকবে শুধুই-
যেখানে শিশুরা থাকবে জুড়ে পৃথিবীর অর্ধেক আকাশ।
চাই আলো
চাই বায়ু
চাই মুক্ত জীবন
তৈরি হোক জীবনের নতুন সংজ্ঞা।

খুব সুন্দর জীবনবোধের প্রকাশ। -- Papia Adhikary
ReplyDeleteExcellent
ReplyDelete