প্রাপ্তমনস্কদের পত্রিকা ~ ~ ~ নাম নয় মানই বিবেচ্য

নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | রাজদণ্ড

বাতায়ন/ নাসির ওয়াদেন সংখ্যা / সম্পাদকীয় /৪র্থ বর্ষ/ ৬ষ্ঠ সংখ্যা/ ২রা আষাঢ় , ১৪৩৩ নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | সম্পাদকীয়   রাজদণ্ড "অগণিত ছাপো...

Thursday, April 10, 2025

একদিন আধুনিক পাটলিপুত্র ভ্রমণ | অঞ্জনা মজুমদার

বাতায়ন/ঝড়/ভ্রমণ/য় বর্ষ/ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩
ঝড় | ভ্রমণ
অঞ্জনা মজুমদার

একদিন আধুনিক পাটলিপুত্র ভ্রমণ


"এটি আসলে পাবলিক গ্রানারি। গায়ে খোদাই করা আছে এটি ১৭৮৬ খৃষ্টাব্দের ২০ জুলাই তৈরি শেষ করান ইংরেজ ইঞ্জিনিয়র ক্যাপ্টেন জন গার্সটেন। চারিদিক পরিচ্ছন্ন। উপরে ওঠার সিঁড়ি আছে। ওপর থেকেই ভেতরে প্রবেশ করতে হয়।"


পুরাতন পাটলিপুত্র অর্থাৎ এখনকার পাটনা বেশ বড়ো শহর। এই শহরের মাত্র তিনটি জায়গা ঘুরে দেখার কথা বলব। পাটনা শহরে প্রচুর অটো পাওয়া যায়। কিন্তু কোনও কোনও রাস্তায় প্রবল জ্যাম।



শস্য সংরক্ষণ স্থানগ্র্যানারি

আমরা অটো নিয়ে প্রথমে পৌঁছলাম বিশাল একটা গম্বুজের
মতো ভবনে। এটা এত বড়ো বিস্মিত হতে হয়। এটি আসলে পাবলিক গ্রানারি। গায়ে খোদাই করা আছে এটি ১৭৮৬ খৃষ্টাব্দের ২০ জুলাই তৈরি শেষ করান ইংরেজ ইঞ্জিনিয়র ক্যাপ্টেন জন গার্সটেন। চারিদিক পরিচ্ছন্ন। উপরে ওঠার সিঁড়ি আছে। ওপর থেকেই ভেতরে প্রবেশ করতে হয়। কিন্তু বর্তমানে বন্ধ। অবাক হয়ে দেখতে হয়। ভেতরে কী বিশাল পরিমাণ শস্য মজুত থাকত, আর কী করে তা ব্যবহার করা হত ভাবলে অবাক লাগে।

পরবর্তী গন্তব্য পাটনা সরকারি মিউজিয়াম।


করুণা স্তূপপাটলিপুত্র

এটি আধুনিক আর প্রাচীন ভারতীয় সংস্কৃতির মেলবন্ধন করেছে। যেমন প্রাচীন বিষ্ণুমূর্তি, বৌদ্ধমূর্তি শঙ্করের মূর্তি আছে, তেমনই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নানারকমের আকর্ষক গ্যালারিও আছে। আছে ছোটোদের জন্য আলাদা গ্যালারি। সেখানে নানারকম খেলা চলছে। বিরাট বড়ো একটা টিয়াপাখির মূর্তি আছে। ছোটোদের আকর্ষণ করবে এই গ্যালারি।


মিউজিয়ামে সংরক্ষিত মূর্তি

একটা আকর্ষণ হলো নানারকমের স্টিলের তৈরি তৈজসপত্র দিয়ে তৈরি আকর্ষনীয়ভাবে সাজানো। এখানে কী নেই? বালতি, টিফিনবাক্স, চামচ, হাতা, সাঁড়াশি সব একজায়গায় একটা সুন্দর আকার নিয়েছে। তার মধ্যে আবার একটা ছোট্ট পাখা চলছে। এটি যিনি তৈরি করেছেন তার নামও লেখা আছে।


মিউজিয়াম স্টিলের বাসনপত্র দিয়ে তৈরি 


মিউজিয়ামে সংরক্ষিত নানারকম টিফিনবাক্স 

তারপর আবার অটো নিয়ে এলাম পাটলিপুত্র করুণা স্তূপ। এটিও বিশাল। খালি পায়ে অনেকটা হেঁটে ওপরে উঠতে হয়। ভিতরের নিস্তব্ধতা মনকে শান্ত করে দেয়। ওপর থেকে চারপাশের পরিচ্ছন্ন বাগান আর মাঠ ভারি সুন্দর।

একদিনে পাটনার আর বেশি স্থান দেখা হয়নি। মনে হলো সময় আর একটু বেশি পেলে ভালো হোতো




No comments:

Post a Comment

খাবারের সন্ধানে ~~~


Popular Top 10 (Last 7 days)