বাতায়ন/নৃপেন
চক্রবর্তী সংখ্যা/কবিতা/৩য় বর্ষ/২৮ সংখ্যা/১৪ই কার্ত্তিক,
১৪৩২
নৃপেন চক্রবর্তী সংখ্যা | কবিতা
উজ্জ্বল পায়রা
খালের
এপারে
তাল কদলির সারির ভিতর দিয়ে
এগিয়ে চলছে স্বদিঘী খাল...
এই খালের বাঁকে বাঁকে
বসন্তে পলাশ ফোটে
শরতে কাশফুল
হাত ধরাধরি করে নাবালক পান্তি মাধু লাট্টুরা
সাবালক নদী হয়ে ওঠে...
দুর্গা-অপু এই প্রান্তর জোড়া
চাষ-মাঠের নাড়া মাড়িয়ে সেই কবে যেন ট্রেন দেখতে দেখতে সন্ধ্যা পার করেছিল...
আজ আর সন্ধ্যা পার করতে ওরা
এখানে আসে না
মুঠোর মধ্যে পৃথিবী পুরে নিয়ে ওরা জানলা বন্ধ করে
স্যাটেলাইট গিলে খায় ওদের ঘণ্টা-মিনিট-সেকেণ্ড
গোটা গোটা দিনগুলো...
আচ্ছা—
ওই ছোট্ট মস্তিষ্কের ভেতর কি একটা আস্ত পৃথিবী ধরে?
চোখের নেশা সবুজ চায় না?
পা দুটো নরম ঘাসের বুক চায় না?
চাঁদের আলোকে চাদর করে শরীর
স্নিগ্ধ হতে চায় না?
চায় না ভোরের সূর্যের সোনার অলংকার হতে মন?
যখন বাতাস গেয়ে ওঠে -
"বাজলো তোমার আলোর বেনু
মাতলো রে ভুবন...."
তখন চায় না কি দুটো হাত জড়ো করে কোনো এক মেদুরতর মূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে অপূর্ব স্নিগ্ধতা চুরি করতে?
তুমি তো মানুষ... বলো?
নৃপেন চক্রবর্তী সংখ্যা | কবিতা
উজ্জ্বল পায়রা
এগিয়ে চলছে স্বদিঘী খাল...
বসন্তে পলাশ ফোটে
শরতে কাশফুল
হাত ধরাধরি করে নাবালক পান্তি মাধু লাট্টুরা
সাবালক নদী হয়ে ওঠে...
মুঠোর মধ্যে পৃথিবী পুরে নিয়ে ওরা জানলা বন্ধ করে
স্যাটেলাইট গিলে খায় ওদের ঘণ্টা-মিনিট-সেকেণ্ড
গোটা গোটা দিনগুলো...
ওই ছোট্ট মস্তিষ্কের ভেতর কি একটা আস্ত পৃথিবী ধরে?
"বাজলো তোমার আলোর বেনু
মাতলো রে ভুবন...."
তখন চায় না কি দুটো হাত জড়ো করে কোনো এক মেদুরতর মূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে অপূর্ব স্নিগ্ধতা চুরি করতে?

No comments:
Post a Comment