বাতায়ন/কালো কাল/কবিতা/৩য় বর্ষ/৩৫তম সংখ্যা/৭ই পৌষ, ১৪৩২
কালো কাল | কবিতা
দীপক বেরা
বিষফল
ও সময়
সন্তান অস্বীকার করছে তার
মায়ের সম্পর্ক
একটু একটু করে বুক পকেটে সঞ্চিত রাখে
ঘৃণা, হিংসা, বিদ্বেষ ও বিরোধিতা
অথচ— কী আশ্চর্য!
তার নাভিতে জুড়ে আছে শিকড়ের পাণ্ডুলিপি
রামধনুর রং ধার করে একটা পতাকা এনেছিল
আজ ভূখণ্ড জুড়ে নেমে এসেছে কালো অন্ধকার
সব রং সবসময় সহ্য হয় না অনেকের শরীরে
দিনের শেষে বিষগাছ থেকে থোকা থোকা
বিষের লতা নেমে আসে গায়ে
বিব্রত করে তার অজস্র মায়াফুল
হাওয়া-বাতাসে ঘোরে মৌলবাদ, ধর্মান্ধতা
দোলে হিংস্রতা আর অন্ধতার কটুগন্ধ ফল
কোন উচ্চতায় যেতে চাও তুমি? কীভাবে?
উন্মত্ত হিংসার রাগসংগীত মুখরিত
লাউডস্পিকারে
আকাশে-বাতাসে, ভূখণ্ডের জল ও মাটিতে
বিষফল নড়েচড়ে বীভৎসতার জান্তব উল্লাসে
বস্তুজগতের উঠোনে জোড়া পায়ে লাফ দিচ্ছে
ভেঙে ফেলছে ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি
ভেঙে যাওয়া আয়নার শত শত টুকরোয়
নিজেদেরই বীভৎস মুখের প্রতিফলন দেখে...
অন্তরীক্ষে দাঁড়িয়ে একাকী
হাসে বিমূর্ত সময়
সময়ের শেষ হতে বাকি আরও...
সময় তো কাউকে ছেড়ে কথা বলে না
যেখানেই যাও—তাকেই পাবে
পাহাড়ে, অরণ্যে, নদীতে
আকাশে, বাতাসে—আসন্ন কালবৈশাখী ঝড়ে
মানুষের কলকোলাহলে, কিংবা
হিংসা আর জিঘাংসার উন্মত্ততায়
আলো কিংবা অন্ধকারে
জনারণ্যের ভিড়ে অথবা নিস্তব্ধ মৃত্যুক্ষণে
মৃত্যুর পরেও কিছু আছে নাকি?
সে উত্তরও সময় ঠিক জানে
মানুষের রক্তের রং কি লাল? নাকি রাজনৈতিক?
তার উত্তর খুঁজে খুঁজে হয়রান
উন্মত্ত জিঘাংসার নষ্টবীজের প্রজাতিরা...
সব মানুষের পা যে-পথে হাঁটে না—
এই ডিসেম্বরের মহাপ্রস্থানেও সময়ের আত্মা
ঠিক জেগে বসে থাকে
গঙ্গা যমুনা পদ্মা মেঘনার পারে
একটা নতুন ভোরের অপেক্ষায়
অমর সৃষ্টির পুনরুৎসাহে...
কালো কাল | কবিতা
একটু একটু করে বুক পকেটে সঞ্চিত রাখে
ঘৃণা, হিংসা, বিদ্বেষ ও বিরোধিতা
তার নাভিতে জুড়ে আছে শিকড়ের পাণ্ডুলিপি
রামধনুর রং ধার করে একটা পতাকা এনেছিল
আজ ভূখণ্ড জুড়ে নেমে এসেছে কালো অন্ধকার
সব রং সবসময় সহ্য হয় না অনেকের শরীরে
দিনের শেষে বিষগাছ থেকে থোকা থোকা
বিষের লতা নেমে আসে গায়ে
বিব্রত করে তার অজস্র মায়াফুল
হাওয়া-বাতাসে ঘোরে মৌলবাদ, ধর্মান্ধতা
দোলে হিংস্রতা আর অন্ধতার কটুগন্ধ ফল
কোন উচ্চতায় যেতে চাও তুমি? কীভাবে?
আকাশে-বাতাসে, ভূখণ্ডের জল ও মাটিতে
বিষফল নড়েচড়ে বীভৎসতার জান্তব উল্লাসে
বস্তুজগতের উঠোনে জোড়া পায়ে লাফ দিচ্ছে
ভেঙে ফেলছে ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি
ভেঙে যাওয়া আয়নার শত শত টুকরোয়
নিজেদেরই বীভৎস মুখের প্রতিফলন দেখে...
সময়ের শেষ হতে বাকি আরও...
সময় তো কাউকে ছেড়ে কথা বলে না
যেখানেই যাও—তাকেই পাবে
পাহাড়ে, অরণ্যে, নদীতে
আকাশে, বাতাসে—আসন্ন কালবৈশাখী ঝড়ে
মানুষের কলকোলাহলে, কিংবা
হিংসা আর জিঘাংসার উন্মত্ততায়
আলো কিংবা অন্ধকারে
জনারণ্যের ভিড়ে অথবা নিস্তব্ধ মৃত্যুক্ষণে
মৃত্যুর পরেও কিছু আছে নাকি?
মানুষের রক্তের রং কি লাল? নাকি রাজনৈতিক?
উন্মত্ত জিঘাংসার নষ্টবীজের প্রজাতিরা...
সব মানুষের পা যে-পথে হাঁটে না—
এই ডিসেম্বরের মহাপ্রস্থানেও সময়ের আত্মা
ঠিক জেগে বসে থাকে
গঙ্গা যমুনা পদ্মা মেঘনার পারে
একটা নতুন ভোরের অপেক্ষায়
অমর সৃষ্টির পুনরুৎসাহে...

হ্যাঁ, নতুন ভোরের অপেক্ষায়... এই আশাবাদ ছড়িয়ে পড়ুক!
ReplyDeleteআন্তরিক ভালোবাসা ও অশেষ ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন সতত। শুভ সকাল!
Delete