বাতায়ন/নবান্ন/কবিতা/৩য় বর্ষ/৩৬তম সংখ্যা/১৬ই পৌষ, ১৪৩২
নবান্ন | কবিতা
বিধাত্রী চট্টোপাধ্যায়
নবান্ন
নবান্ন মানে পায়েস-পিঠে— মনে
কি আছে তোর?
চালের গুঁড়ো, নলেন গুড়— ব্যাপক সে তোড়জোড়।
থাকত সেদিন স্কুলের ছুটি, আজও মনে আছে;
রান্নাঘরে ভাই-বোনেরা
দাঁড়িয়ে মায়ের কাছে।
চোখে-মুখে উৎসাহ আর প্রাণের
মাঝে ঢেউ—
সেদিন শুধু পায়েস-পিঠে, ভাত খাব না কেউ।
আসত দিদি-জামাইবাবু বিশেষ নিমন্ত্রণে;
আজকে যে এই নবান্নতে পড়ছে
সবই মনে।
দিগন্তময় সোনার ফসল, গোলা ভরা ধানে;
গানের সুর ভাসত সেদিন প্রাণের
অঘ্রায়ণে।
পাড়ায়-পাড়ায় উৎসবেতে হেমন্ত দিনগুলোয়—
আল্পনা দেয় শীতকুয়াশা খুশির বুকে ধুলোয়।
নবান্ন আজ শহুরে মেলা, হারিয়ে যাওয়া তারা;
শিকড়-ছেঁড়া যন্ত্রণাতে
নিখোঁজ কৃষক পাড়া।
লক্ষ্মী এখন লড়াই করে বেঁচে থাকার জেদে—
তার কাছেতে নবান্ন আজ একটা রুটির খিদে।
নবান্ন | কবিতা
বিধাত্রী চট্টোপাধ্যায়
থাকত সেদিন স্কুলের ছুটি, আজও মনে আছে;
সেদিন শুধু পায়েস-পিঠে, ভাত খাব না কেউ।
আসত দিদি-জামাইবাবু বিশেষ নিমন্ত্রণে;
পাড়ায়-পাড়ায় উৎসবেতে হেমন্ত দিনগুলোয়—
আল্পনা দেয় শীতকুয়াশা খুশির বুকে ধুলোয়।
লক্ষ্মী এখন লড়াই করে বেঁচে থাকার জেদে—
তার কাছেতে নবান্ন আজ একটা রুটির খিদে।

No comments:
Post a Comment