বাতায়ন/ক্ষণিকের অতিথি/কবিতা/৩য় বর্ষ/৪৪তম সংখ্যা/২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২
ক্ষণিকের অতিথি | কবিতা
দয়াময় পোদ্দার
কমলালেবু
এবছরে একটি বই উৎসর্গ করতে
হবে প্রিয় মানুষটিকে।
তার প্রস্তুতিতে খুলে দিতে হচ্ছে- দরজা এবং কফিন, আর
নিম্নমুখী শীত নীতিকথার পাতায় হত্যা করছে রাত পেঁচাকে।
হাত থেকে রক্ত ধুয়ে বালিশের তলায় ছুরিটি লুকিয়ে রাখছি।
এসময় গ্যাস-অম্বল, সর্দি-কাশি জাঁকিয়ে বসে সোয়েটার মাফলার মোজার মতো।
বিছানায় বসে কমলালেবু থেকে খোসা
ছাড়াবার সময় কাশি ওঠে, হাড়-পাজর কেঁপে যায়।
আততায়ীরা হত্যার ছক কষে জুয়াঘরে। ফিসফিসে মেঘ।
তখন চাঁদ এসে সামনে দাঁড়ায়।
শাড়ির আঁচল নামিয়ে খাটে রাখে। আমি তার ব্লাউজ খুলি, ব্রা খুলে দিলে— জোছনায় উজ্জ্বল কমলালেবু।
নাভিতে চুম্বন দিই, কোয়া চুষে খাই,
সারা পৃথিবীতে কত মানুষ
একাকিত্বে ভোগে।
রুগ্ন সেসব মানুষের পথ্য এই কমলালেবু।
ঘুম ভাঙলে দেখি- হাতে চাঁদের
শাড়ি-আঁচল!
ক্ষণিকের অতিথি | কবিতা
দয়াময় পোদ্দার
তার প্রস্তুতিতে খুলে দিতে হচ্ছে- দরজা এবং কফিন, আর
নিম্নমুখী শীত নীতিকথার পাতায় হত্যা করছে রাত পেঁচাকে।
হাত থেকে রক্ত ধুয়ে বালিশের তলায় ছুরিটি লুকিয়ে রাখছি।
আততায়ীরা হত্যার ছক কষে জুয়াঘরে। ফিসফিসে মেঘ।
নাভিতে চুম্বন দিই, কোয়া চুষে খাই,
রুগ্ন সেসব মানুষের পথ্য এই কমলালেবু।

No comments:
Post a Comment