বাতায়ন/নারী না পুরুষ/কবিতা/৪র্থ
বর্ষ/১০ম সংখ্যা/৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩
নারী না পুরুষ
কবিতা
মানালী হোড়
ভগবান
পাথরের
মূর্তিতে কি ভগবান থাকেন?
নাকি
নিজে না খেয়ে
সন্তানের মুখে যে মা খাবার তুলে দেন,
সেই
আসল ভগবান?
তাহলে
আমরা পুজো করি কেন?
ফুল
দিই কেন মূর্তিতে?
যদি
মানুষের মধ্যে ভগবান থাকতেন,
তাহলে
এত মানুষ মরত কেন?
ভগবান
তো অমর,
তাহলে
মানুষের অমৃত কই?
নাকি
মানুষের শরীরে
রক্তমাংস আছে বলেই
সে মরতে বাধ্য?
তাই
হয়তো মানুষের মন
আজ পাথর হয়ে উঠছে।
এর কারণ কি শুধুই
নিজেকে ভগবান প্রমাণের চেষ্টা?
নাকি
প্রতিহিংসা, অহংকার, লালসা—
এসবই এর জন্য দায়ী?
আজ
মানুষের দায়িত্ব কে নেবে?
মানুষ
নিজে?
কিন্তু
সে তো অচল।
এই পৃথিবীর অতিপ্রাকৃত বিষয় যেন
ঘিরে রেখেছে তাকে।
সন্ধ্যায়
মন্দিরের কাঁসর-ঘণ্টার
আওয়াজ
ছাপিয়ে যায় উলুধ্বনিকে।
মানুষের কণ্ঠস্বর
পৌঁছায় না ইটের দেয়ালের বাইরে।
তাই
হয়তো
প্রতি ঘরের এত চিৎকার শুনেও
কেউ ছুটে আসে না।
নাকি কেউ শুনতে পায় না
কারও ডাক?
যদি
সত্যিই কেউ না শোনে,
তবে
প্রার্থনার ভাষা
আজও বেঁচে আছে কেন?
কেন
প্রদীপ জ্বলে
প্রতিদিন সন্ধ্যায়?
মন্দিরের
দরজা খোলা থাকে,
কিন্তু
মানুষের মন বন্ধ।
পাথরের দেবতা নীরব।
ভগবান
কোথায়?
মন্দিরের
নিস্তব্ধ অন্ধকারে,
নাকি
ক্ষুধার্ত শিশুর চোখে
জমে থাকা একফোঁটা জলে?
নারী না পুরুষ
কবিতা
মানালী হোড়
ভগবান
সন্তানের মুখে যে মা খাবার তুলে দেন,
রক্তমাংস আছে বলেই
সে মরতে বাধ্য?
আজ পাথর হয়ে উঠছে।
এর কারণ কি শুধুই
নিজেকে ভগবান প্রমাণের চেষ্টা?
এসবই এর জন্য দায়ী?
এই পৃথিবীর অতিপ্রাকৃত বিষয় যেন
ঘিরে রেখেছে তাকে।
ছাপিয়ে যায় উলুধ্বনিকে।
মানুষের কণ্ঠস্বর
পৌঁছায় না ইটের দেয়ালের বাইরে।
প্রতি ঘরের এত চিৎকার শুনেও
কেউ ছুটে আসে না।
নাকি কেউ শুনতে পায় না
কারও ডাক?
আজও বেঁচে আছে কেন?
প্রতিদিন সন্ধ্যায়?
পাথরের দেবতা নীরব।
জমে থাকা একফোঁটা জলে?
No comments:
Post a Comment