বাতায়ন/নারী না পুরুষ/কবিতা/৪র্থ
বর্ষ/১০ম সংখ্যা/৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩
নারী না পুরুষ
কবিতা
মানালী হোড়
মানুষ আজ মৃত
সেই
মানুষ কোথায়?
যে
হারিয়ে যাওয়া প্রাণের খোঁজ নেয়,
সে কি
বেঁচে আছে কোনো সময়ের জাঁতাকলে?
নাকি
সেও আজ হারিয়ে গেছে
বহু প্রশ্নের মাঝে?
তাকে কেউ
খোঁজে না,
কিন্তু
সবার খোঁজ নেওয়ার দায় তার।
সেই দায়ের ভার
কী সে আর বইতে পারছে না?
নাকি
সেও আজ অন্যদের মতো স্বার্থপর?
হয়তো
ভুলে গেছে
মনুষ্যত্বের কর্তব্য,
হয়তো
হারিয়ে ফেলেছে
বেঁচে থাকার মাধ্যম।
তাই সে খোঁজে না
প্রাণের গভীরে লুকিয়ে থাকা অমৃত,
যা বাঁচাবে
বহু নতুন জীবন।
কিন্তু
সেই জীবনের জন্ম দেবে কে?
হয়তো
এই জগত
আর ভার বহন করতে পারবে না।
হয়তো জন্ম দেওয়ার মাধ্যম আজ সীমিত।
তাই সেই মানুষ আজ
নবজাতকের খোঁজ নেয় না।
হয়তো
সেও ব্যর্থ
এই পৃথিবীকে নতুনভাবে জন্ম দিতে।
তাই সে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে
হাজার মানুষের থেকে।
সে
তাকিয়েছে ওই সুদূর তিব্বতে,
চুমুক
দিয়েছে নীল নদের স্রোতে,
কুড়িয়ে
নিয়েছে কোনো
শুকনো ফুলের কুঁড়ি।
কুঁড়িটা না ফুটেই
ঝরে গিয়েছিল কোনো এক মরসুমে।
সেই
মানুষটি মায়া দিয়ে
বড়ো করেছিল এই পৃথিবীর নবজাতকদের।
হাজারো বৃক্ষ রোপণ করেছিল
এই মাটির বুকে।
তীব্র গরমে শুকিয়ে যাওয়া
নদীর বুকে চোখের জল ফেলেছিল সে।
কিন্তু
আজ সে নেই।
তাই
হয়তো এই বিশৃঙ্খলা,
তাই
হয়তো এই অনাচার চারদিকে।
মানুষ আর আগের মতো
মনুষ্যত্ব নিয়ে বাঁচে না।
তারা খোঁজ করে স্বার্থের,
তবুও
তারা খোঁজ নেয় না।
নারী না পুরুষ
কবিতা
মানালী হোড়
মানুষ আজ মৃত
বহু প্রশ্নের মাঝে?
সেই দায়ের ভার
কী সে আর বইতে পারছে না?
মনুষ্যত্বের কর্তব্য,
বেঁচে থাকার মাধ্যম।
তাই সে খোঁজে না
প্রাণের গভীরে লুকিয়ে থাকা অমৃত,
আর ভার বহন করতে পারবে না।
হয়তো জন্ম দেওয়ার মাধ্যম আজ সীমিত।
তাই সেই মানুষ আজ
নবজাতকের খোঁজ নেয় না।
এই পৃথিবীকে নতুনভাবে জন্ম দিতে।
তাই সে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে
হাজার মানুষের থেকে।
শুকনো ফুলের কুঁড়ি।
কুঁড়িটা না ফুটেই
ঝরে গিয়েছিল কোনো এক মরসুমে।
বড়ো করেছিল এই পৃথিবীর নবজাতকদের।
হাজারো বৃক্ষ রোপণ করেছিল
এই মাটির বুকে।
তীব্র গরমে শুকিয়ে যাওয়া
নদীর বুকে চোখের জল ফেলেছিল সে।
মানুষ আর আগের মতো
মনুষ্যত্ব নিয়ে বাঁচে না।
তারা খোঁজ করে স্বার্থের,

No comments:
Post a Comment