বাতায়ন/শারদীয়া/কবিতা/৪র্থ বর্ষ/১৫তম
সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩
শারদীয়া
কবিতা
অমিত পাল
প্রাচুর্য
বয়স
বাড়ছে, নিঃসঙ্গতা, নীরবতাও।
প্রেম কাকে বেছে নেবে, নিঃসঙ্গতা নাকি নীরবতা?
সব
সম্পর্কের উর্দ্ধে গিয়ে গরম মোমের মতো
ফিকে গলার স্বরে পুরনো হাহাকার চিবুক ছুঁয়ে যায়,
কখনো
নিষিদ্ধ রাত্রির বোবা কান্না আমাকে মহান করে তোলে।
এসব নিখাদ সত্য,
যা
বলছি
মদের গ্লাস ছুঁয়ে বলছি, ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে নয়।
তবুও বলছি
আমার এই বৃত্তের বাইরে কিছুতেই বেরব না।
ইচ্ছে-তো করে অনেক কিছুই,
ইচ্ছে
করে
নেতা মন্ত্রীর বাড়ির দেয়ালে অপুষ্টির ছবি আঁকতে।
ইচ্ছে করে
বিধানসভার দরজায় আলপিন ও ফোঁড়ের গল্প লিখতে।
ইচ্ছে করে
আইনের চোখে সাদা কাপড় বেঁধে ক্লান্ত প্রেমিকের গান গাইতে।
ইচ্ছে করে
শিক্ষকের কানে কানে ব্যর্থতা আর বঞ্চনার কবিতা শোনাতে।
আমিও
তো এই রাষ্ট্রের-ই সদস্য,
মানুষের
চরিত্র দ্বারাই গড়ে তোলা এই প্রাসাদ, এই রাষ্ট্র।
এই প্রাসাদটায়
একটা অন্ধকার সিঁড়ি নেমে গেছে অনেক নীচে,
সেখানে
পৌঁছলে নিজেকে গলা টিপে হত্যা করার সাহস জোগায়।
এসব যা
বলছি
মদের গ্লাস ছুঁয়েই বলছি, ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে নয়।
শারদীয়া
কবিতা
অমিত পাল
প্রাচুর্য
প্রেম কাকে বেছে নেবে, নিঃসঙ্গতা নাকি নীরবতা?
ফিকে গলার স্বরে পুরনো হাহাকার চিবুক ছুঁয়ে যায়,
এসব নিখাদ সত্য,
মদের গ্লাস ছুঁয়ে বলছি, ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে নয়।
তবুও বলছি
আমার এই বৃত্তের বাইরে কিছুতেই বেরব না।
নেতা মন্ত্রীর বাড়ির দেয়ালে অপুষ্টির ছবি আঁকতে।
ইচ্ছে করে
বিধানসভার দরজায় আলপিন ও ফোঁড়ের গল্প লিখতে।
ইচ্ছে করে
আইনের চোখে সাদা কাপড় বেঁধে ক্লান্ত প্রেমিকের গান গাইতে।
ইচ্ছে করে
শিক্ষকের কানে কানে ব্যর্থতা আর বঞ্চনার কবিতা শোনাতে।
এই প্রাসাদটায়
একটা অন্ধকার সিঁড়ি নেমে গেছে অনেক নীচে,
মদের গ্লাস ছুঁয়েই বলছি, ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে নয়।

No comments:
Post a Comment