বাতায়ন/শারদীয়া/কবিতা/৪র্থ বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩
শারদীয়া
কবিতা
রানা জামান
মেঘলা দিন মানে অন্ধকার নয়
আজ
আকাশের ক্লাউড-স্টোরেজে
জমে আছে অসমাপ্ত বিকেল।
সূর্য লগ-আউট করেছে নোটিশ ছাড়াই।
আমি ছাতার নিচে নয়, দাঁড়িয়ে আছি
একটি প্রশ্নবোধকের ভেতরে।
বৃষ্টি এখনো ডাউনলোড হয়নি—
শুধু নোটিফিকেশন পড়ছে।
একটি
কাক কা-কা রবে লিখে দিল মেঘের জীবনী,
গাছেরা
নীরবে আপডেট নিচ্ছে সবুজের নতুন সংস্করণ।
পুকুরের জল নিজের মুখ চিনতে গিয়ে ঢেউ হয়ে যায়,
দূরের
বাঁশবন বাতাসকে ইনবক্সে রেখে দেয়।
জুতোর
ফিতায় আটকে থাকে কাদামাটির ইতিহাস,
হাঁটতে
হাঁটতে কয়েকটি অনুচ্চারিত ঋতু পেরিয়ে যাই।
কেউ একজন আকাশে ইরেজার চালায়,
তবু
মুছে যায় না মেঘের হাতের লেখা।
মেঘলা
দিন মানে অন্ধকার নয়—
আলোর একটু দীর্ঘশ্বাস।
নিঃসঙ্গতা মানে একা থাকা নয়—
নিজের সঙ্গে দীর্ঘ আলাপচারিতা।
আজ
কোনো রংধনু চাই না, ধূসর যথেষ্ট
সত্যবাদী।
পৃথিবীর সবচেয়ে উজ্জ্বল কবিতাগুলো
লেখা হয়ে থাকে সূর্যহীন দিনের প্রান্তে।
শারদীয়া
কবিতা
রানা জামান
মেঘলা দিন মানে অন্ধকার নয়
জমে আছে অসমাপ্ত বিকেল।
সূর্য লগ-আউট করেছে নোটিশ ছাড়াই।
আমি ছাতার নিচে নয়, দাঁড়িয়ে আছি
একটি প্রশ্নবোধকের ভেতরে।
বৃষ্টি এখনো ডাউনলোড হয়নি—
শুধু নোটিফিকেশন পড়ছে।
পুকুরের জল নিজের মুখ চিনতে গিয়ে ঢেউ হয়ে যায়,
কেউ একজন আকাশে ইরেজার চালায়,
আলোর একটু দীর্ঘশ্বাস।
নিঃসঙ্গতা মানে একা থাকা নয়—
নিজের সঙ্গে দীর্ঘ আলাপচারিতা।
পৃথিবীর সবচেয়ে উজ্জ্বল কবিতাগুলো
লেখা হয়ে থাকে সূর্যহীন দিনের প্রান্তে।

No comments:
Post a Comment