বাতায়ন/দেবকুমার মুখোপাধ্যায় সংখ্যা/সম্পাদকীয়/৪র্থ
বর্ষ/২০তম সংখ্যা/১০ই কার্ত্তিক, ১৪৩৩
দেবকুমার মুখোপাধ্যায় সংখ্যা
সম্পাদকীয়
রাজতন্ত্র
দেবকুমার মুখোপাধ্যায় সংখ্যা
সম্পাদকীয়
কে আর্য কে অনার্য কে ভূমিপুত্র কে নয়, সংবিধানকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখিয়ে যা-খুশি বলে একদল লোক। আচ্ছা যদি সত্যিই তারা অপাঙ্ক্তেয় হন তবে এ পি জে আব্দুল কালাম কেন নন! বৈষ্ণব ধর্মের এত জনপ্রিয়তা, প্রসারের কারণ কী!
এক চাকা একরকম, দু চাকাও ঠিক আছে (ব্যালান্স রাখতে পারলে), কিন্তু তিন চাকা গোলমেলে, সে তিন চাকা ভ্যান বা
অটো কিংবা টোটো যাই হোক। খানাখন্দ ভরা রাস্তায় কখন যে
উলটে কোন্ ডোবায় পড়ে অথবা আস্তাকুঁড়ে কে বলতে পারে। কাজেই চাকার ব্যাপারে সচেতন হওয়া বিশেষ প্রয়োজন।
বিদ্যাসাগর থেকে মধুসূদন, রবীন্দ্রনাথ হয়ে এই পর্যন্ত বিশ্ববন্দিত যে-সব প্রতিভাবান সাহিত্যিকদের জ্ঞানের নির্যাস বহন করা ঐতিহ্যশালী বাঙালির এও দেখা কপালে ছিল! নইলে বুকস্টল ভেঙে গুঁড়িয়ে যায়! যারাই এ-কাজ করে থাকুক তাদের নিন্দার জন্য কোন ভাষাই যথেষ্ট নয়। মানুষ খুঁজে নিক কারা এই কুকীর্তি করল।
কে আর্য কে অনার্য কে ভূমিপুত্র কে নয়, সংবিধানকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখিয়ে যা-খুশি বলে একদল লোক। আচ্ছা যদি সত্যিই তারা অপাঙ্ক্তেয় হন তবে এ পি জে আব্দুল কালাম কেন নন! বৈষ্ণব ধর্মের এত জনপ্রিয়তা, প্রসারের কারণ কী! আগে তো মানুষ, জাতি ধর্ম দেশ (কিংবা বিদ্বেষ) এসব সৃষ্টি করল কারা? উন্মুক্ত মন নিয়ে ইতিহাসের দিকে তাকালেই উত্তর খুব পরিষ্কার। তার পরেও এমন! আজব বটে!
জীবনে গলি থেকে রাজপ্রাসাদে উত্তরণ কার না ভাল লাগে, কিন্তু এই উত্তরণের পথে যে শ্রম নিষ্ঠা সংগ্রামের কাহিনি, জানতে পারলে অসংখ্য মানুষ উপকৃত হোতো, তা কি জানা সম্ভব কোনদিন?
শোনা গেল, এক নতুন দেবতার থুরি অবতারের আবির্ভাব ঘটতে চলেছে ভারতবর্ষে। দেবতারা দেবভাষা ছাড়া অন্য ভাষা জানেন না হয়তো ফলে ভক্তের আর্তিও শুনতে পান না (দোভাষী না থাকলে)। এই নব্য দেবতা অবশ্য নিজের আঞ্চলিক ভাষা ছাড়া আদৌ দেবভাষা জানেন কি না জানা নেই। জানতে ইচ্ছে করে দেবতারা এত অলংকার পান কোথায়? শুনেছি ভক্তরা দেয়। কিন্তু শুরুতে কি তাঁরা অলংকারহীন থাকেন! তাঁরা অলংকার যুক্ত হন কখন, দেবতা হওয়ার আগে না পরে?
জনগণ সত্যি সত্যিই বিরাট পরীক্ষার সম্মুখীন। এক দিকে রক্তবীজের ঝাড়ের মতো বিশাল সংখ্যক অবিবেচক সুবিধাভোগী জনতা অন্য দিকে মুষ্টিমেয় সুবিবেচক মানুষ, সঙ্গে অবশ্য আধুনিক যুবসমাজ আছে। এখন যেটা দেখার কে রক্ষা পায়, কে হারিয়ে যায়, গণতন্ত্র না কি স্বৈর-রাজতন্ত্র?
বিদ্যাসাগর থেকে মধুসূদন, রবীন্দ্রনাথ হয়ে এই পর্যন্ত বিশ্ববন্দিত যে-সব প্রতিভাবান সাহিত্যিকদের জ্ঞানের নির্যাস বহন করা ঐতিহ্যশালী বাঙালির এও দেখা কপালে ছিল! নইলে বুকস্টল ভেঙে গুঁড়িয়ে যায়! যারাই এ-কাজ করে থাকুক তাদের নিন্দার জন্য কোন ভাষাই যথেষ্ট নয়। মানুষ খুঁজে নিক কারা এই কুকীর্তি করল।
কে আর্য কে অনার্য কে ভূমিপুত্র কে নয়, সংবিধানকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখিয়ে যা-খুশি বলে একদল লোক। আচ্ছা যদি সত্যিই তারা অপাঙ্ক্তেয় হন তবে এ পি জে আব্দুল কালাম কেন নন! বৈষ্ণব ধর্মের এত জনপ্রিয়তা, প্রসারের কারণ কী! আগে তো মানুষ, জাতি ধর্ম দেশ (কিংবা বিদ্বেষ) এসব সৃষ্টি করল কারা? উন্মুক্ত মন নিয়ে ইতিহাসের দিকে তাকালেই উত্তর খুব পরিষ্কার। তার পরেও এমন! আজব বটে!
জীবনে গলি থেকে রাজপ্রাসাদে উত্তরণ কার না ভাল লাগে, কিন্তু এই উত্তরণের পথে যে শ্রম নিষ্ঠা সংগ্রামের কাহিনি, জানতে পারলে অসংখ্য মানুষ উপকৃত হোতো, তা কি জানা সম্ভব কোনদিন?
শোনা গেল, এক নতুন দেবতার থুরি অবতারের আবির্ভাব ঘটতে চলেছে ভারতবর্ষে। দেবতারা দেবভাষা ছাড়া অন্য ভাষা জানেন না হয়তো ফলে ভক্তের আর্তিও শুনতে পান না (দোভাষী না থাকলে)। এই নব্য দেবতা অবশ্য নিজের আঞ্চলিক ভাষা ছাড়া আদৌ দেবভাষা জানেন কি না জানা নেই। জানতে ইচ্ছে করে দেবতারা এত অলংকার পান কোথায়? শুনেছি ভক্তরা দেয়। কিন্তু শুরুতে কি তাঁরা অলংকারহীন থাকেন! তাঁরা অলংকার যুক্ত হন কখন, দেবতা হওয়ার আগে না পরে?
জনগণ সত্যি সত্যিই বিরাট পরীক্ষার সম্মুখীন। এক দিকে রক্তবীজের ঝাড়ের মতো বিশাল সংখ্যক অবিবেচক সুবিধাভোগী জনতা অন্য দিকে মুষ্টিমেয় সুবিবেচক মানুষ, সঙ্গে অবশ্য আধুনিক যুবসমাজ আছে। এখন যেটা দেখার কে রক্ষা পায়, কে হারিয়ে যায়, গণতন্ত্র না কি স্বৈর-রাজতন্ত্র?
গণতন্ত্রের আড়ালে স্বৈরতন্ত্র মাথা তুলছে এ দেশে। উৎসবকে কালিমালিপ্ত করল কিছু উগ্রপন্থী লোক।
ReplyDelete