বাতায়ন/হাপিত্যেশ/কবিতা/২য়
বর্ষ/৫ম সংখ্যা/৩২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১
হাপিত্যেশ | কবিতা
দীপক বেরা
ব্যর্থ জ্যামিতিপ্রয়াস
সেই কোন রোদেলা দুপুরের
দামাল কৈশোর
বয়ঃসন্ধিকালের অশান্ত দুর্যোগে দেখা হয়েছিল
কথা ছিল জানালায় উঁকি দেবে মেঘ
বর্ষায় আদ্যোপান্ত ভিজে যাবে যৌথখামার।
আষাঢ় পেরিয়ে শ্রাবণ, ভাদ্রের বর্ষণরাত যায়
প্রিয়া, কবে হবে অভিসার?
প্রেমের মিনার আঁকি
বয়ঃসন্ধিকালের অশান্ত দুর্যোগে দেখা হয়েছিল
কথা ছিল জানালায় উঁকি দেবে মেঘ
বর্ষায় আদ্যোপান্ত ভিজে যাবে যৌথখামার।
আষাঢ় পেরিয়ে শ্রাবণ, ভাদ্রের বর্ষণরাত যায়
প্রিয়া, কবে হবে অভিসার?
প্রেমের মিনার আঁকি
দূর থেকে তোমাকে দেখি
মিনারের ছায়া লম্বভাবে তোমাকে ছুঁয়ে আছে
সময়ের ব্যবধানে ক্রমশ বাড়ে সঙ্কটকোণ
ইরেজার দিয়ে বারবার সম্পাদ্য মুছে ফেলা
ব্যর্থ প্রতিটি জ্যামিতিপ্রয়াস!
শরীরের নির্জন গহীন
তারই অতল জলে একটা কইমাছ
সাঁতরে চলেছে অবিরাম
মাঝে মাঝে ঘুম থেকে জেগে উঠে ভাবি
বেঁচে আছি?
নিজের উপর আলো ফেলে ছায়া খুঁজি
আবার ভাবি, এই যে এক একটি জাগরণ
এ আসলে একটা প্যারাডক্স
নাকি অবস্থান্তর… মৃত্যুরই কেলাসিত রূপ!
তবু বৃষ্টি এলে সবুজ ঘাসে ঢেকে যায় বনবাদাড়
চঞ্চল হরিণ-চোখে ঋতু আঁকে পূর্বরাগ
গম্ভীর জানালা খুলে ঠিক সে দেখে ফেলে
নাভির নীচে পদ্মবনে ঘাই মারে জন্মগান।
আবার জেগে উঠি, ধীরে ধীরে অগ্রসর হই
আর একটি মৈথুন, ক্ষুধা ও তৃষ্ণার দিকে
টুকরো টুকরো বিচ্ছেদ-বেদনা, না-পাওয়ার
মাধুরী মন্ত্র ও গান সঞ্চয় করি
এক একটা প্রিজম আঁকি, তার গায়ে
আকাশ উপুড় করে ঢেলে দিই সবটুকু রোদ্দুর।
এভাবেই সোনালি শিসের রোম ছুঁয়ে বারবার
জীবনের ভিতর আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য মাপি
কাঙ্ক্ষিত আলোর বর্ণালী অস্পষ্ট অদৃশ্য
সন্ধ্যার ডানায় নিয়মমাফিক রাত্রি নামে
স্বপ্নস্রোতকে মেলাতে পারি না প্রাণের মোহনায়।
কোথায় যেন বৃষ্টি নামে, ভালবাসার ঘ্রাণ ভাসে
ভালবাসা তো এমনই— দূরত্বের সংজ্ঞায়
তার প্রচ্ছায়া উপচ্ছায়ায় শরীর ফিকে হয়ে আসে
লাস্ট সিটিস্ক্যান রিপোর্টের জীবন জিজ্ঞাসায়
ধরা পড়ে কেবলই ছায়া...
পড়ে থাকে একটা ঘুমিয়ে পড়া অ্যালবাম।
ভাবনার তুমুল বর্ষণে
তখন জ্যামিতি বাক্সের
সেট স্কোয়ার, চাঁদা, কম্পাস, ডিভাইডার নিয়ে
শুয়ে থাকে আমার হতভাগ্য বোকা ক্যালকুলাস!
মিনারের ছায়া লম্বভাবে তোমাকে ছুঁয়ে আছে
সময়ের ব্যবধানে ক্রমশ বাড়ে সঙ্কটকোণ
ইরেজার দিয়ে বারবার সম্পাদ্য মুছে ফেলা
ব্যর্থ প্রতিটি জ্যামিতিপ্রয়াস!
তারই অতল জলে একটা কইমাছ
সাঁতরে চলেছে অবিরাম
মাঝে মাঝে ঘুম থেকে জেগে উঠে ভাবি
বেঁচে আছি?
নিজের উপর আলো ফেলে ছায়া খুঁজি
আবার ভাবি, এই যে এক একটি জাগরণ
এ আসলে একটা প্যারাডক্স
নাকি অবস্থান্তর… মৃত্যুরই কেলাসিত রূপ!
তবু বৃষ্টি এলে সবুজ ঘাসে ঢেকে যায় বনবাদাড়
চঞ্চল হরিণ-চোখে ঋতু আঁকে পূর্বরাগ
গম্ভীর জানালা খুলে ঠিক সে দেখে ফেলে
নাভির নীচে পদ্মবনে ঘাই মারে জন্মগান।
আবার জেগে উঠি, ধীরে ধীরে অগ্রসর হই
আর একটি মৈথুন, ক্ষুধা ও তৃষ্ণার দিকে
টুকরো টুকরো বিচ্ছেদ-বেদনা, না-পাওয়ার
মাধুরী মন্ত্র ও গান সঞ্চয় করি
এক একটা প্রিজম আঁকি, তার গায়ে
আকাশ উপুড় করে ঢেলে দিই সবটুকু রোদ্দুর।
এভাবেই সোনালি শিসের রোম ছুঁয়ে বারবার
জীবনের ভিতর আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য মাপি
কাঙ্ক্ষিত আলোর বর্ণালী অস্পষ্ট অদৃশ্য
সন্ধ্যার ডানায় নিয়মমাফিক রাত্রি নামে
স্বপ্নস্রোতকে মেলাতে পারি না প্রাণের মোহনায়।
কোথায় যেন বৃষ্টি নামে, ভালবাসার ঘ্রাণ ভাসে
ভালবাসা তো এমনই— দূরত্বের সংজ্ঞায়
তার প্রচ্ছায়া উপচ্ছায়ায় শরীর ফিকে হয়ে আসে
লাস্ট সিটিস্ক্যান রিপোর্টের জীবন জিজ্ঞাসায়
ধরা পড়ে কেবলই ছায়া...
পড়ে থাকে একটা ঘুমিয়ে পড়া অ্যালবাম।
সেট স্কোয়ার, চাঁদা, কম্পাস, ডিভাইডার নিয়ে
শুয়ে থাকে আমার হতভাগ্য বোকা ক্যালকুলাস!

খুব সুন্দর ভাবনার বিস্তার,,, বলার কৌশল কবি
ReplyDeleteআন্তরিক ভালোবাসা ও অশেষ ধন্যবাদ জানাই আপনাকে। ভালো থাকবেন, শুভ সকাল... ❤️🙏
Delete