বাতায়ন/দহন/কবিতা/৩য় বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩২
দহন | কবিতা
রানা জামান
একটু
শান্তি ও প্রশান্তি খুঁজছি
যা আমার ডোবার কারণ হয়ে
দাঁড়ায়, তা চলছে এখনও
চব্বিশ ঘন্টা-ই ডুবতে থাকি বিকট শব্দের সমুদ্রে
কাকের ডাক শুনে মনে হয় আমিও একটি কাক
একটু শান্তি ও প্রশান্তি পেতে মনটা ছটফট করছে
সাগর নিজেই রুক্ষ হয়ে গেলে
একা একজনকে কীভাবে শান্তি দেবে!
সাগরের গভীরে আরও ঘূর্ণি
পাহাড়ের চূড়ায় বা এভারেস্টের চূড়ায় নেই কোনো শান্তি
প্রশান্তি অনেক দূরে!
মাঝে মাঝে একটু শান্তির আশায়
চলে যাই ছায়াপথে
যদিও আমি কিছুক্ষণ শান্ত ছিলাম
আগ্রাসনের শব্দ আমাকে চমকে দেয় অহোরাত্র
আমি ফের কালোগহ্বরে ডুবে যেতে থাকি
আমি জানি শান্তি ও প্রশান্তি
উভয়ই পরম নির্জনতায় পাওয়া যায়
নির্জনতার সন্ধানে আকাশ-পাতাল ঘুরে বেড়াই প্রতিনিয়ত
পরাশক্তিদের আচরণে পৃথিবীর
কোথাও নির্জনতা নেই!
দহন | কবিতা
রানা জামান
কোন চিন্তা ছাড়াই শান্ত
সমুদ্রে সাঁতার কাটছিলাম
মৃদু ঢেউগুলো মৌমাছির গুঞ্জন, যেন কানের
প্রশান্তি
আবেশে নয়ন মুদে অবিরাম চালাই
সাঁতার
হঠাৎ আরম্ভ প্রবল তুফানি
হাওয়ায় উথালপাতাল ঢেউ
চব্বিশ ঘন্টা-ই ডুবতে থাকি বিকট শব্দের সমুদ্রে
কাকের ডাক শুনে মনে হয় আমিও একটি কাক
একটু শান্তি ও প্রশান্তি পেতে মনটা ছটফট করছে
সাগরের গভীরে আরও ঘূর্ণি
পাহাড়ের চূড়ায় বা এভারেস্টের চূড়ায় নেই কোনো শান্তি
প্রশান্তি অনেক দূরে!
যদিও আমি কিছুক্ষণ শান্ত ছিলাম
আগ্রাসনের শব্দ আমাকে চমকে দেয় অহোরাত্র
আমি ফের কালোগহ্বরে ডুবে যেতে থাকি
নির্জনতার সন্ধানে আকাশ-পাতাল ঘুরে বেড়াই প্রতিনিয়ত

শেষ লাইনটাই যেন কবিতার অন্তর্গত অনুভূতি! চমৎকার।
ReplyDelete