বাতায়ন/মাসিক/সম্পাদকীয়/৩য় বর্ষ/১৯তম সংখ্যা/১৩ই ভাদ্র, ১৪৩২
সম্পাদকীয়
অসি ও মসিজীবী
কোন্ শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছিল সে? অভিভাবক, মাস্টারমশাইরা এমন শিক্ষাই দিয়েছিল কি? প্রেম কি তবে শুধুই ভোগ, ত্যাগ নয়? আরজিকর কুকাণ্ডের কুচক্রী আর একজন প্রেমিকের তবে তফাৎ কোথায়!
মানুষকে প্রকৃত শিক্ষিত করতে হলে নির্বিচারে ভাতা দিলেই হয়! অধুনা অধিকাংশ কলেজে ছাত্র আসে না। কোনও কোনও কলেজে এ-বছর একজন ছাত্রও ভরতি হয়নি। তারা শিক্ষিত হতে চায় না? শিখতে, জানতে তাদের এত অনীহা! প্রশাসন কেন্দ্রে বা রাজ্যে অভিভাবকতুল্য, একপক্ষ রাষ্ট্রের অপরপক্ষ রাজ্যের। প্রশ্ন জাগে প্রশাসন কি তবে নীরব দর্শক? প্রচ্ছন্ন সমর্থন প্রকট হয়ে দেখা দিলে তা সমাজের জন্য ভয়ংকর দুর্ভাগ্যের।
বলা হয়, অসির থেকে মসি ঢের বেশি শক্তিশালী। তাই-ই কি অসিকে নস্যাৎ করার কু-প্রচেষ্টা! প্রজন্মের পর প্রজন্মকে শিক্ষার আলো থেকে দূরে সরিয়ে রেখে আপাতনিরীহ বিভিন্ন প্রকল্পের আড়ালে মসির বদলে অসি ব্যবহারের উৎসাহ দেওয়া হয়? অবশ্য বর্তমানে হয়তো এটাই স্বাভাবিক! যারা আপামর দলজীবী তাদের একবার সুবর্ণগোলকের কথা ভেবে দেখা উচিৎ।
রাজনীতিবিদ তথা প্রশাসকের হৃদয় থাকতে নেই এ-কথা বোধ করি সকলেরই জানা। নইলে মনুষ্যত্বের বদলে আগে জাতের বিচার, ধর্মের বিচার হয়! মানুষের সঙ্গে পাশবিক আচরণ করতে দ্বিধা জাগে না মনে! ভৌগলিক সীমারেখা না থাকলে কী করতেন তাঁরা?
সম্পাদকীয়
অসি ও মসিজীবী
"কোন্ শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছিল সে? অভিভাবক, মাস্টারমশাইরা এমন শিক্ষাই দিয়েছিল কি? প্রেম কি তবে শুধুই ভোগ, ত্যাগ নয়? আরজিকর কুকাণ্ডের কুচক্রী আর একজন প্রেমিকের তবে তফাৎ কোথায়!"
সম্প্রতি টিনএজের একটি ছাত্র তার সহপাঠিনী তথা প্রেমিকাকে
গুলি করে খুন করল। পিছনের ঘটনা যাই থাক, প্রথমত ছাত্রটি আগ্নেয়াস্ত্র পেল কীভাবে! দ্বিতীয়ত
প্রেমিকা হোক বা না-হোক সহপাঠিনীকে খুন করার মতো মাবসিকতা পোষণ করল কেন ছাত্রটি! এতটুকু
মায়ামমতা, সহানুভূতি, সহমর্মিতা
তার মগজে সক্রিয় হল না! হিংসাই বড় হল!
কোন্ শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছিল সে? অভিভাবক, মাস্টারমশাইরা এমন শিক্ষাই দিয়েছিল কি? প্রেম কি তবে শুধুই ভোগ, ত্যাগ নয়? আরজিকর কুকাণ্ডের কুচক্রী আর একজন প্রেমিকের তবে তফাৎ কোথায়!
মানুষকে প্রকৃত শিক্ষিত করতে হলে নির্বিচারে ভাতা দিলেই হয়! অধুনা অধিকাংশ কলেজে ছাত্র আসে না। কোনও কোনও কলেজে এ-বছর একজন ছাত্রও ভরতি হয়নি। তারা শিক্ষিত হতে চায় না? শিখতে, জানতে তাদের এত অনীহা! প্রশাসন কেন্দ্রে বা রাজ্যে অভিভাবকতুল্য, একপক্ষ রাষ্ট্রের অপরপক্ষ রাজ্যের। প্রশ্ন জাগে প্রশাসন কি তবে নীরব দর্শক? প্রচ্ছন্ন সমর্থন প্রকট হয়ে দেখা দিলে তা সমাজের জন্য ভয়ংকর দুর্ভাগ্যের।
বলা হয়, অসির থেকে মসি ঢের বেশি শক্তিশালী। তাই-ই কি অসিকে নস্যাৎ করার কু-প্রচেষ্টা! প্রজন্মের পর প্রজন্মকে শিক্ষার আলো থেকে দূরে সরিয়ে রেখে আপাতনিরীহ বিভিন্ন প্রকল্পের আড়ালে মসির বদলে অসি ব্যবহারের উৎসাহ দেওয়া হয়? অবশ্য বর্তমানে হয়তো এটাই স্বাভাবিক! যারা আপামর দলজীবী তাদের একবার সুবর্ণগোলকের কথা ভেবে দেখা উচিৎ।
রাজনীতিবিদ তথা প্রশাসকের হৃদয় থাকতে নেই এ-কথা বোধ করি সকলেরই জানা। নইলে মনুষ্যত্বের বদলে আগে জাতের বিচার, ধর্মের বিচার হয়! মানুষের সঙ্গে পাশবিক আচরণ করতে দ্বিধা জাগে না মনে! ভৌগলিক সীমারেখা না থাকলে কী করতেন তাঁরা?
মসিকে অগ্রাহ্য করা যায়নি, কোনদিনই হবে না। তবে বর্তমান অবস্থার সঠিক কথাই আপনার সেই কলমে।
ReplyDeleteধন্য আপনার মসির শক্তিকে 🙏
আপনাকে ধন্যবাদ জানাই, সঙ্গে থাকুন।
Deleteমসির ক্ষমতা অপরিসীম। কোনদিনই তা অগ্রাহ্য করা যায়নি আর যাবেও না। তবে বর্তমান অবস্থা বড়ই অসহনীয়। বাস্তব আপনার কলম।
ReplyDeleteআপনার মসিকে ধন্যবাদ। 🙏
স্বাগত হে গুণী।
Deleteভীষণ সময়োচিত ক্ষুরধার লেখা।
ReplyDeleteঅনেক ধন্যবাদ। সঙ্গে থাকুন।
Delete