বাতায়ন/শারদ/কবিতা/৩য় বর্ষ/২২তম সংখ্যা/১লা আশ্বিন, ১৪৩২
শারদ | কবিতা
জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়
হঠাৎ
শরৎ
যার অপেক্ষার বিমনা প্রহরে
দেখি খালের বাঁকে, মাঠে বা
নালার ধারে, জলাজমির ভাঙাবুকের এদিকে সেদিকে
গুচ্ছ গুচ্ছ কাশফুলের শিষ দুলে উঠছে।
ধানখেতে এখনো নিতান্ত শৈশব, বাঁশপাতা পাখিরা
কোথায় লুকিয়ে কে জানে?
ডাহুকের ডাকে ভরা বর্ষার
চিত্রকল্প।
বাতাসে নেই এতটুকু শরৎগন্ধ, পুকুর-ডোবায় শালুক-পদ্মবনে
কেবল কৈশোর, যৌবন কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে।
কে লিখবেন আগমনি, কে দেবেন সুর, কাদের কণ্ঠের গান
আমাদের আবিষ্ট রাখবে তাও তো জানা নেই,
কোথায় উৎসব?
তবু না বলেই এসেছে শরৎ, শিউলির গন্ধ নেই কারও
জ্যোৎস্নাউঠোনে, শুধু কাশবন, শুধু হাওয়ায়...
তবে হে মধুর ঋতু, এসো তোমার অনন্য সাজে
প্রাণের পাত্র ভরো রঙিন দু-হাতে আর শিশিরশরীরে।
শারদ | কবিতা
জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়
চুপিচুপি এসে গেল সে।
আষাঢ় গেল, শ্রাবণ গেল, খাপছাড়া বর্ষা থামল
বন্যার হট্টগোলে, মোহময়ী রূপে নয়,
পাগলিনি
সাজে।
নালার ধারে, জলাজমির ভাঙাবুকের এদিকে সেদিকে
গুচ্ছ গুচ্ছ কাশফুলের শিষ দুলে উঠছে।
ধানখেতে এখনো নিতান্ত শৈশব, বাঁশপাতা পাখিরা
কোথায় লুকিয়ে কে জানে?
কেবল কৈশোর, যৌবন কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে।
কে লিখবেন আগমনি, কে দেবেন সুর, কাদের কণ্ঠের গান
আমাদের আবিষ্ট রাখবে তাও তো জানা নেই,
জ্যোৎস্নাউঠোনে, শুধু কাশবন, শুধু হাওয়ায়...
প্রাণের পাত্র ভরো রঙিন দু-হাতে আর শিশিরশরীরে।

No comments:
Post a Comment