বাতায়ন/নৃপেন
চক্রবর্তী সংখ্যা/কবিতা/৩য় বর্ষ/২৮ সংখ্যা/১৪ই কার্ত্তিক,
১৪৩২
কবিতাগুচ্ছ | নৃপেন চক্রবর্তী | শূন্য মন্দির অব্যক্ত বিষাদ নিয়ে একা
নৃপেন চক্রবর্তী
শূন্য
মন্দির অব্যক্ত বিষাদ নিয়ে একা
কাঠামো ভেসে আছে জলের ওপর!
ভেসে আছে ফুল-পাতা ও রাত্রির নক্ষত্র মালা...
মা আমার শুয়ে আছে একা!
কিছুক্ষণ আগেও তুমুল পদধ্বনি
ছিলো,
উচ্চারণে মানুষের ঢল...
ধূপ-ধুনো, বর্ণময় আলোর মিছিল...!
এখন রাত্রির মন্দির কথা শূন্য
বিষাদ নিয়ে
একা!
বাতাসে প্রকম্পিত প্রদীপের আলো
আর কিছুক্ষণ পরেই নিভে যাবে নিজস্ব নিয়মে
তারপর অন্ধকার...
শব্দহীন অন্ধকারে একা একা রাত্রির কথোপকথন!
* * * *
পাড়ার বাউণ্ডুলে পাগল ছেলেটা এ-কদিন রোজ আসতো...
মাটির উঠোনে ব'সে বাঁশি বাজাতে বাজাতে কলাপাতায় অন্নপূর্ণা ভোগ চেটেপুটে আহা! পরম আস্বাদ!
বে-পাত্তা হয়েছে সেও আগের মতন!
ছিন্ন পাতায় আবারও ভ'রেছে উঠোন...
এক পশলা বৃষ্টির পর বন তুলসী পাতার ওপর লেপ্টে আছে ভাঙা চোরা রোদ...
রান্না ঘর থেকে মেজবৌদির ম্যাজিক আঙুলে নৈমিত্তিক ব্যঞ্জন গন্ধ!
সব কিছুই ঠিকঠাক-আগের মতন।
শূন্য মন্দির শুধু অব্যক্ত
বিষাদ নিয়ে একা!
কবিতাগুচ্ছ | নৃপেন চক্রবর্তী | শূন্য মন্দির অব্যক্ত বিষাদ নিয়ে একা
নৃপেন চক্রবর্তী
ভেসে আছে ফুল-পাতা ও রাত্রির নক্ষত্র মালা...
মা আমার শুয়ে আছে একা!
ধূপ-ধুনো, বর্ণময় আলোর মিছিল...!
একা!
বাতাসে প্রকম্পিত প্রদীপের আলো
আর কিছুক্ষণ পরেই নিভে যাবে নিজস্ব নিয়মে
তারপর অন্ধকার...
শব্দহীন অন্ধকারে একা একা রাত্রির কথোপকথন!
* * * *
পাড়ার বাউণ্ডুলে পাগল ছেলেটা এ-কদিন রোজ আসতো...
মাটির উঠোনে ব'সে বাঁশি বাজাতে বাজাতে কলাপাতায় অন্নপূর্ণা ভোগ চেটেপুটে আহা! পরম আস্বাদ!
বে-পাত্তা হয়েছে সেও আগের মতন!
এক পশলা বৃষ্টির পর বন তুলসী পাতার ওপর লেপ্টে আছে ভাঙা চোরা রোদ...
রান্না ঘর থেকে মেজবৌদির ম্যাজিক আঙুলে নৈমিত্তিক ব্যঞ্জন গন্ধ!
সব কিছুই ঠিকঠাক-আগের মতন।

No comments:
Post a Comment