বাতায়ন/আতঙ্ক/কবিতা/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | কবিতা
সুদীপ্তা ঘোষ
আতঙ্ক
হঠাৎই হয়ে গেল লোডশেডিং
গরমে প্রাণ যায় যায়
তাড়াতাড়ি ছাদে গেলাম
ওইটাই তো বাঁচার একমাত্র উপায়।
ধীরেধীরে ক্রমশ রাত বেড়ে
যায়
চারপাশে নামে নিঝুম অন্ধকার
মনে হচ্ছে যেন কারুর নিশ্বাসে
লাগছে ভীষণ ভয়ের হাহাকার।
পরিচিত ছায়াগুলো অচেনা লাগে
হৃদয় কাঁপে থরোথরো, নিশ্বাস হয় ভার
অন্ধকারে মিলিয়ে যায় আপনজন
কিছুই বুঝি না আমি, এ আতঙ্ক কার?
বুকের ভেতর ওঠে ধুকপুকানি
চতুর্দিকে কালো ছায়া নামে
কেঁপে ওঠে মন, অজানা ভয়ে
শরীর ভেজে প্রচণ্ড ঘামে।
ভয়ে গেলাম নীচে নেমে
কিন্ত জানালা খুললেই শুধু আতঙ্ক
অন্ধকারেই রইলাম ঘরে বসে
পিছনে কেউ বাজায় অশুভ শঙ্খ।
ভয় নয়, এ এক অদ্ভুত শিহরণ
কখন আসবে কারেন্ট জানি না
চোখ বুজলেই দেখি অসীম শূন্যতা
আতঙ্কে আমি ঘুমাতে পারি না।
অবশেষে কারেন্ট এসেই গেল
তবুও আতঙ্ক যায় না
মনের আতঙ্ক আজ ঘরে ঘরে
কীসের আতঙ্ক কেউ জানে না।
আতঙ্ককে জয় আমাদের করতেই হবে
তবেই খুঁজে পাব জীবনের মানে
আতঙ্কে আমরা কুঁকড়ে থাকব না।
আতঙ্ক | কবিতা
সুদীপ্তা ঘোষ
গরমে প্রাণ যায় যায়
তাড়াতাড়ি ছাদে গেলাম
ওইটাই তো বাঁচার একমাত্র উপায়।
চারপাশে নামে নিঝুম অন্ধকার
মনে হচ্ছে যেন কারুর নিশ্বাসে
লাগছে ভীষণ ভয়ের হাহাকার।
হৃদয় কাঁপে থরোথরো, নিশ্বাস হয় ভার
অন্ধকারে মিলিয়ে যায় আপনজন
কিছুই বুঝি না আমি, এ আতঙ্ক কার?
চতুর্দিকে কালো ছায়া নামে
কেঁপে ওঠে মন, অজানা ভয়ে
শরীর ভেজে প্রচণ্ড ঘামে।
কিন্ত জানালা খুললেই শুধু আতঙ্ক
অন্ধকারেই রইলাম ঘরে বসে
পিছনে কেউ বাজায় অশুভ শঙ্খ।
কখন আসবে কারেন্ট জানি না
চোখ বুজলেই দেখি অসীম শূন্যতা
আতঙ্কে আমি ঘুমাতে পারি না।
তবুও আতঙ্ক যায় না
মনের আতঙ্ক আজ ঘরে ঘরে
কীসের আতঙ্ক কেউ জানে না।
তবেই খুঁজে পাব জীবনের মানে
আতঙ্কে আমরা কুঁকড়ে থাকব না।

No comments:
Post a Comment