বাতায়ন/আতঙ্ক/কবিতা/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | কবিতা
সুশান্ত সেন
আতঙ্ক—১
রাস্তা দিয়ে হাঁটি
কখনও বা মোটর গাড়িতে চেপে যাই
চালাতে শিখিনি বিশুদা চালায়
কখনও সামনে কখনও পেছনে বসি
তাকিয়ে দেখি
রাস্তায় একপাশে জমা করা বালি
টিনের ভাঙা টুকরো রাবিশের স্তূপ
মাঝে মাঝে দেওয়াল লিখন
কানের ভেতর একটা শব্দ হতে থাকে
কখনও ধীর কখনও বিরামহীন।
পাশে গজিয়ে ওঠা চায়ের দোকান
ডিম ভাজার গন্ধ
রাস্তা কখনও মসৃণ কখনও এবড়োখেবড়ো
ঝাঁকি দেয়
কখনও স্বপ্নের ভেতর রেল গাড়ি চলে যায়
শোনা যায় সংকেত বাণী
রেলের গার্ড পড়ে গেছে এখন অপেক্ষা।
ছোট্ট মেয়েটি কৃশকায় পরনে
নোংরা ফ্রক
গাড়ির দরজায় টোকা মারে
পয়সা চায়
গাড়ির কাচ খুলে দিতে বলি
দশ টাকার নোট, কখনোই তার বেশি না
ছোঁয়া বাঁচিয়ে মেয়েটির হাতে রাখি,
আবার কানের ভেতর একটা শব্দ
হতে থাকে
বিরামহীন।
অসহায় বোধ করি।
ইজরায়েল ও
আমেরিকা লেবাননে আর ইরানে বোমা মারতেই থাকে
কাকে ধ্বংস কী ধ্বংস করবে কে জানে
মুখে বলে আমেরিকার সম্ভাব্য বিপদ থেকে
সেই দেশ আর ইজরায়েলকে বাঁচাতে।
কোনো অর্থ কোনো কার্যকারণ
খুঁজে পাওয়া যায় না,
তবু নানা রকম মিসাইল ও ড্রোন
হানা চলতেই থাকে
আল জাজিরা নানা সংবাদ দেয়
পুনরায় কানের ভেতর একটা রিনরিন শব্দ হতে থাকে, বিরামহীন।
একটা অস্বস্তি একটা মাথা
ঝিমঝিম করা একটা মাথাব্যথা শুরু হয়
পাশে রাখা প্যাকেট খুলি
একটা পেসিমল - ৬৫০ বার করি
বিশুদার কাছ থেকে জল চেয়ে নিয়ে গিলে ফেলি
হয়তো দশ মিনিট পর একটু শান্তি একটু গ্লানি ভাব দূর হবে
মুঠোফোনের দিকে তাকাই
সংবাদ শুনতে চাই
ঠিক তখনই কানের ভেতর একটা
বোমা ফেটে পড়ে।
ছিন্নভিন্ন হয়ে রাস্তায়
পড়ে থাকি।
আতঙ্কে।
আতঙ্ক | কবিতা
সুশান্ত সেন
কখনও বা মোটর গাড়িতে চেপে যাই
চালাতে শিখিনি বিশুদা চালায়
কখনও সামনে কখনও পেছনে বসি
তাকিয়ে দেখি
রাস্তায় একপাশে জমা করা বালি
টিনের ভাঙা টুকরো রাবিশের স্তূপ
মাঝে মাঝে দেওয়াল লিখন
কানের ভেতর একটা শব্দ হতে থাকে
কখনও ধীর কখনও বিরামহীন।
ডিম ভাজার গন্ধ
রাস্তা কখনও মসৃণ কখনও এবড়োখেবড়ো
ঝাঁকি দেয়
কখনও স্বপ্নের ভেতর রেল গাড়ি চলে যায়
শোনা যায় সংকেত বাণী
রেলের গার্ড পড়ে গেছে এখন অপেক্ষা।
গাড়ির দরজায় টোকা মারে
পয়সা চায়
গাড়ির কাচ খুলে দিতে বলি
দশ টাকার নোট, কখনোই তার বেশি না
ছোঁয়া বাঁচিয়ে মেয়েটির হাতে রাখি,
বিরামহীন।
কাকে ধ্বংস কী ধ্বংস করবে কে জানে
মুখে বলে আমেরিকার সম্ভাব্য বিপদ থেকে
সেই দেশ আর ইজরায়েলকে বাঁচাতে।
খুঁজে পাওয়া যায় না,
আল জাজিরা নানা সংবাদ দেয়
পুনরায় কানের ভেতর একটা রিনরিন শব্দ হতে থাকে, বিরামহীন।
পাশে রাখা প্যাকেট খুলি
একটা পেসিমল - ৬৫০ বার করি
বিশুদার কাছ থেকে জল চেয়ে নিয়ে গিলে ফেলি
হয়তো দশ মিনিট পর একটু শান্তি একটু গ্লানি ভাব দূর হবে
মুঠোফোনের দিকে তাকাই
সংবাদ শুনতে চাই
ঠিক তখনই কানের ভেতর একটা
বোমা ফেটে পড়ে।

No comments:
Post a Comment