বাতায়ন/কালো কাল/কবিতা/৩য় বর্ষ/৩৫তম সংখ্যা/৭ই পৌষ, ১৪৩২
কালো কাল | কবিতা
শক্তিশঙ্কর
সামন্ত
ধর্ম
না নিষ্ঠুরতা
আমার ধর্ম আমারই প্যান্টুল
খুলে
আমাকে পুড়িয়ে মারছে
আমার জাতপাতের অহঙ্কার
যাবতীয় কৌলীন্য আর
‘ঈশ্বর’ নামক কোথাকার কোন বীরহনুর
কাল্পনিক আবিষ্কারটাও
আমার অচলায়তন চোখে
ঢেলে দিচ্ছে অসংখ্য কালো রাত্রি
যেখানে এক ফোঁটাও আলোর স্থান নেই
তবুও আমি আমার ধর্ম আর
সর্বশক্তিমান ‘ঈশ্বরের’ নেংটি পরে
মানুষের মতো বীরদর্পে হাঁটতে হাঁটতে
প্রলাপ বকে চলেছি
আহা— সবার উপরে মানুষ সত্য
এবং আমি একবজ্ঞা উন্মাদের মতো
খোল-করতাল বাজিয়ে
প্রত্যুষের অবোধ্য উচ্চারণে
শিয়ালরাজা হয়ে চিৎকার করে যাবই
আমার ধর্ম মানবতা
কেননা— যাহা ধারণ করে তাহাই ধর্ম
কালো কাল | কবিতা
আমাকে পুড়িয়ে মারছে
আমার জাতপাতের অহঙ্কার
যাবতীয় কৌলীন্য আর
‘ঈশ্বর’ নামক কোথাকার কোন বীরহনুর
কাল্পনিক আবিষ্কারটাও
আমার অচলায়তন চোখে
ঢেলে দিচ্ছে অসংখ্য কালো রাত্রি
যেখানে এক ফোঁটাও আলোর স্থান নেই
সর্বশক্তিমান ‘ঈশ্বরের’ নেংটি পরে
মানুষের মতো বীরদর্পে হাঁটতে হাঁটতে
প্রলাপ বকে চলেছি
আহা— সবার উপরে মানুষ সত্য
খোল-করতাল বাজিয়ে
প্রত্যুষের অবোধ্য উচ্চারণে
শিয়ালরাজা হয়ে চিৎকার করে যাবই
আমার ধর্ম মানবতা
কেননা— যাহা ধারণ করে তাহাই ধর্ম
এটি শুধুই কবিতা নয়। কবিতার চেয়ে অনেক বড় সত্য হল, এটি ধর্মের বিরুদ্ধে একটা জেহাদ। আমি বিশ্বাস করি, একদিন পৃথিবী ধর্মমুক্ত হবে। কারণ ধর্মই মানবমুক্তির অন্তরায়। মানুষের পরিচয় ধর্মে নয়। শুধুমাত্র মনুষ্যত্বে। না, মানবতা আমার ধর্ম নয়। এহেন কথা এক ধরনের মুখোশ। ধর্মকে আমি অনেক আগেই বিসর্জন দিয়েছি। আমার অভিধানে ধর্ম শব্দটা ব্রাত্য। সত্যের পথে হাঁটতে চাইলে ধর্মের কোনও প্রয়োজন নেই। ধর্মমুক্ত পৃথিবী চাই আমরা।
ReplyDelete