বাতায়ন/নবান্ন/কবিতা/৩য় বর্ষ/৩৬তম সংখ্যা/১৬ই পৌষ, ১৪৩২
নবান্ন | কবিতা
রানা জামান
নবান্নের
ডাক
নবান্ন | কবিতা
রানা জামান
ধানভরা গোলায় আজ উৎসবের গন্ধ
ওঠে
মাটির নরম সোঁদা গন্ধে ভিজে যায় সকাল
উঠোন জুড়ে ধান শুকোতে দিতে দিতে হেসে ওঠে মা
শস্যের দানা যেন সোনার ফোঁটা—ঝলমল করে রোদে
শিশুরা দৌড়ায় খালপাড়ে, হাতে নতুন ধানের ছড়া
পিঠার ধোঁয়া উঠছে চুলোর লাল আঙুল থেকে
চাষার চোখে জমে ওঠা ক্লান্তি আজ গলে যায়
কার্তিকের বাতাসে ভেসে আসে গানের কলি
দোরগোড়ায় বরণ থালা—আলপনার সাদা রেখা
নতুন চালের ভাতের ঘ্রাণে ঘর হয় সুরভিত
কুয়াশার ফাঁক গলে সূর্য ওঠে নরম রঙে
মাঠের সীমানা ধরে হাঁটে নবজন্মের গোরু-বাছুর
নবান্ন শুধু উৎসব নয়—মাটির প্রতি কৃতজ্ঞতা
প্রতিটি দানায় থাকে পরিশ্রমের শ্লোক
কৃষকের ঘরে জ্বলে ওঠা প্রদীপ বলে যায় আশ্বাস
এ বছর ভালই কাটবে—বলে হাসে হাওয়ারা
সন্ধ্যা নামলে ঝিঁঝিঁ পোকা ডাকে দূর পাল্লায়
আলপনার টান টানে ঝিলমিল আলোর ছটা
গ্রামের আকাশে ভেসে ওঠে নীরব পরিতৃপ্তি
আর হৃদয়ে জন্ম নেয় শান্ত এক নতুন বছর।
মাটির নরম সোঁদা গন্ধে ভিজে যায় সকাল
উঠোন জুড়ে ধান শুকোতে দিতে দিতে হেসে ওঠে মা
শস্যের দানা যেন সোনার ফোঁটা—ঝলমল করে রোদে
শিশুরা দৌড়ায় খালপাড়ে, হাতে নতুন ধানের ছড়া
পিঠার ধোঁয়া উঠছে চুলোর লাল আঙুল থেকে
চাষার চোখে জমে ওঠা ক্লান্তি আজ গলে যায়
কার্তিকের বাতাসে ভেসে আসে গানের কলি
দোরগোড়ায় বরণ থালা—আলপনার সাদা রেখা
নতুন চালের ভাতের ঘ্রাণে ঘর হয় সুরভিত
কুয়াশার ফাঁক গলে সূর্য ওঠে নরম রঙে
মাঠের সীমানা ধরে হাঁটে নবজন্মের গোরু-বাছুর
নবান্ন শুধু উৎসব নয়—মাটির প্রতি কৃতজ্ঞতা
প্রতিটি দানায় থাকে পরিশ্রমের শ্লোক
কৃষকের ঘরে জ্বলে ওঠা প্রদীপ বলে যায় আশ্বাস
এ বছর ভালই কাটবে—বলে হাসে হাওয়ারা
সন্ধ্যা নামলে ঝিঁঝিঁ পোকা ডাকে দূর পাল্লায়
আলপনার টান টানে ঝিলমিল আলোর ছটা
গ্রামের আকাশে ভেসে ওঠে নীরব পরিতৃপ্তি
আর হৃদয়ে জন্ম নেয় শান্ত এক নতুন বছর।

No comments:
Post a Comment