বাতায়ন/কালো কাল/কবিতা/৩য় বর্ষ/৩৫তম সংখ্যা/৭ই পৌষ, ১৪৩২
কালো কাল | কবিতা
তুহিনা সুলতানা
ধর্মের
নামে
ধর্মের নামে যে হাত ওঠে,
সে হাতে আর প্রার্থনা থাকে
না—
থাকে শুধু আগুন,
থাকে ভাঙচুরের নখ।
যে মুখ ঈশ্বর ডাকে,
সে মুখই ঘর ভাঙে,
একটি শিশুর চোখের সামনে
পুড়িয়ে দেয় তার পৃথিবী।
কোন ধর্ম শেখায়
জ্যান্ত মানুষকে আগুনে ছুঁড়ে দিতে?
কোন গ্রন্থে লেখা আছে
ভিন্ন বিশ্বাস মানেই মৃত্যু?
ঘরবাড়ি ভাঙে—
কিন্তু ভাঙে আরও বেশি করে
মানুষের ভরসা,
মানুষের মানুষ হওয়ার অধিকার।
মারধরে নীল হয়ে যায় শরীর,
কিন্তু আরও গভীর ক্ষত পড়ে
আত্মার ভেতর—
সেখানে আর কোনো উপাসনা পৌঁছায় না।
ধর্ম যদি ভালবাসা না শেখায়,
যদি করুণা না শেখায়,
তবে সে ধর্ম নয়—
সে কেবল হিংস্রতার মুখোশ।
আমি প্রশ্ন রাখি—
যে ঈশ্বর নীরবে সব দেখেন,
তিনি কি সত্যিই চান
মানুষ মানুষকে জ্বালিয়ে দিক?
ধর্মের নামে নয়—
মানুষের নামে মানুষ বাঁচুক।
এই দাবিটুকুই আজ
সবচেয়ে পবিত্র প্রার্থনা।
কালো কাল | কবিতা
তুহিনা সুলতানা
থাকে শুধু আগুন,
পুড়িয়ে দেয় তার পৃথিবী।
জ্যান্ত মানুষকে আগুনে ছুঁড়ে দিতে?
ভিন্ন বিশ্বাস মানেই মৃত্যু?
কিন্তু ভাঙে আরও বেশি করে
মানুষের ভরসা,
আত্মার ভেতর—
সেখানে আর কোনো উপাসনা পৌঁছায় না।
সে কেবল হিংস্রতার মুখোশ।
যে ঈশ্বর নীরবে সব দেখেন,
মানুষ মানুষকে জ্বালিয়ে দিক?
মানুষের নামে মানুষ বাঁচুক।
এই দাবিটুকুই আজ
সবচেয়ে পবিত্র প্রার্থনা।

No comments:
Post a Comment