বাতায়ন/নবান্ন/কবিতা/৩য় বর্ষ/৩৬তম সংখ্যা/১৬ই পৌষ, ১৪৩২
নবান্ন | কবিতা
রতনলাল আচার্য্য
অবাক
সূর্যোদয়...
সূর্যাস্ত দেখব বলে হাতের
মুঠোয় জড়িয়ে নিয়েছি
ভীত সন্ত্রস্ত হরিণীর একজোড়া মায়াবী চোখ।
সূর্যের বরপুত্র হওয়া সত্ত্বেও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিল
আমার জন্ম পরিচয়!
মহাকালের আদিম খেয়ালে আমিও বহুদিন
দেবতাদের চক্ষুশূল ছিলাম।
অকাল গ্রহণের কোপানলে পড়ে অনন্তকাল ছিলাম নরকবাসী।
ধূর্জটির আশীর্বাদী হাতের যাদুস্পর্শে ও কালকে মুখোশ পরিয়ে
বেরিয়ে এসেছিলাম নাগরিক যাত্রামঞ্চে।
পরজন্মে রাহু হয়ে জন্ম নেব।
গ্রাস করে নেব আস্তিক্যবাদী সূর্যটার অলীক মায়া!
পেছন ফিরে সেজদা জানাই বিবর্ণ আগ্রাসী কালকে।
যার অনুগ্রহে দিন আসে রাতের লাম্পট্য ভেদ করে।
আজও অসীম শূন্যতায় জীবনের চর্চা করি একান্তে।
আশার ফানুস ওড়াই পরিধিহীন নীল আকাশে।
আস্তিক্যবাদী চিন্তাকে মহান করি সর্বাগ্রে।
তোমরা কি দোসর করে নেবে এই
দিনান্তের অতিথিকে?
নবান্ন | কবিতা
রতনলাল আচার্য্য
ভীত সন্ত্রস্ত হরিণীর একজোড়া মায়াবী চোখ।
সূর্যের বরপুত্র হওয়া সত্ত্বেও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিল
আমার জন্ম পরিচয়!
মহাকালের আদিম খেয়ালে আমিও বহুদিন
দেবতাদের চক্ষুশূল ছিলাম।
অকাল গ্রহণের কোপানলে পড়ে অনন্তকাল ছিলাম নরকবাসী।
ধূর্জটির আশীর্বাদী হাতের যাদুস্পর্শে ও কালকে মুখোশ পরিয়ে
বেরিয়ে এসেছিলাম নাগরিক যাত্রামঞ্চে।
গ্রাস করে নেব আস্তিক্যবাদী সূর্যটার অলীক মায়া!
পেছন ফিরে সেজদা জানাই বিবর্ণ আগ্রাসী কালকে।
যার অনুগ্রহে দিন আসে রাতের লাম্পট্য ভেদ করে।
আজও অসীম শূন্যতায় জীবনের চর্চা করি একান্তে।
আশার ফানুস ওড়াই পরিধিহীন নীল আকাশে।
আস্তিক্যবাদী চিন্তাকে মহান করি সর্বাগ্রে।

No comments:
Post a Comment