বাতায়ন/নবান্ন/কবিতা/৩য় বর্ষ/৩৬তম সংখ্যা/১৬ই পৌষ, ১৪৩২
নবান্ন | কবিতা
অরবিন্দ মিত্র
নবান্নের
পথ চেয়ে
রমজান আলী পুবের মাঠে হাল চাষ
করে
খয়েরি রঙা আলপথ চলে গেছে দূর বহু দূরে
মাঠের কোনাকুনি বুক চিরে...
সহধর্মিনী খাবার নিয়ে আসে মন্থর পায়ে
হাওয়ায় তার ঘোমটাখানি উড়ে উড়ে যায়
রমজান আলী আ-ড় চোখে চায় আর দেখে নেয়
বউয়ের ঘামে ভেজা কপাল প্রশান্তিময় মুখ
আর দেখে এক আকাশ ফাগুন!
চৈত্রের মাঠ তেতে পুড়ে যায়
শনশন হাওয়া বয়ে যায় সারাদিন
ঘুর্নি হাওয়ায় ধুলো ঝড় ওঠে
রমজানের চোখে আগুন ঝরে
খিদেয় পেট দাউদাউ জ্বলে;
তবুও কোথায় যেন একটা
শান্তির গন্ধ ভেসে আসে
হয়তো সোনার ফসল আসবে বলে!
দুধ-সাদা বলদ
জোড়া দাঁড়িয়ে থাকে মাঠের কোণে
ওরা দু দন্ড জিরিয়ে নেয়, জাবর কাটে
রমজান ভাত খায়, উদাসীন বধু আকাশ পানে চায়
এক স্বর্গীয় রোমাঞ্চ তার চোখে ভাসে
পৃথিবীর সমস্ত শান্তি এখানে লীন হয়ে আছে!
গুটিকয় সাদা বক ধীরে ধীরে হাঁটে
ওরা পোকামাকর খায়;
দুটো হলুদ রঙা পাখি ডাক দিয়ে
চলে যায়
সীমানা ছাড়িয়ে দূর থেকে আরও বহু দূরে—
নীল সীমানার ভেসে চলা অলস
মেঘের কোলে
কৃষাণ কৃষাণী তাকিয়ে থাকে অপলক
চৈত্রের ঝামা পোড়া মাঠে
হয়তো ওরাও মনে মনে নবান্নের স্বপ্ন দেখে!
নবান্ন | কবিতা
অরবিন্দ মিত্র
খয়েরি রঙা আলপথ চলে গেছে দূর বহু দূরে
মাঠের কোনাকুনি বুক চিরে...
সহধর্মিনী খাবার নিয়ে আসে মন্থর পায়ে
হাওয়ায় তার ঘোমটাখানি উড়ে উড়ে যায়
রমজান আলী আ-ড় চোখে চায় আর দেখে নেয়
বউয়ের ঘামে ভেজা কপাল প্রশান্তিময় মুখ
আর দেখে এক আকাশ ফাগুন!
শনশন হাওয়া বয়ে যায় সারাদিন
ঘুর্নি হাওয়ায় ধুলো ঝড় ওঠে
রমজানের চোখে আগুন ঝরে
খিদেয় পেট দাউদাউ জ্বলে;
শান্তির গন্ধ ভেসে আসে
হয়তো সোনার ফসল আসবে বলে!
ওরা দু দন্ড জিরিয়ে নেয়, জাবর কাটে
রমজান ভাত খায়, উদাসীন বধু আকাশ পানে চায়
এক স্বর্গীয় রোমাঞ্চ তার চোখে ভাসে
পৃথিবীর সমস্ত শান্তি এখানে লীন হয়ে আছে!
গুটিকয় সাদা বক ধীরে ধীরে হাঁটে
ওরা পোকামাকর খায়;
সীমানা ছাড়িয়ে দূর থেকে আরও বহু দূরে—
কৃষাণ কৃষাণী তাকিয়ে থাকে অপলক
চৈত্রের ঝামা পোড়া মাঠে
হয়তো ওরাও মনে মনে নবান্নের স্বপ্ন দেখে!

No comments:
Post a Comment