বাতায়ন/তূয়া
নূর সংখ্যা/কবিতা/৩য় বর্ষ/৪০তম সংখ্যা/২৪শে মাঘ, ১৪৩২
তূয়া নূর সংখ্যা | কবিতা
উদয় মণ্ডল
শ্রীচৈতন্য
হয়ে উঠুক
মানবধর্ম সীমা ছিঁড়ে
বারবার নগ্ন হয়েই
অধর্মীদের ধর্মহীন লালসার কালো দিন
ঘনিয়ে উঠছে।
কতিপয় মিথ্যে মানুষের
লাল চোখো আগ্রাসন,
সংঘবদ্ধ কুচক্রী উগ্র
হিংস্রতা,
কেবলই ধর্মের নামে শকুনের মতো
খুবলে খাচ্ছে—
আপামর বাঙালির রবীন্দ্রনাথ আর নজরুলের মানবতাকে।
ধর্ম কী কখনো জীবন্ত মানুষের
পোড়া লাশ কবুল করে?
নাকি ক্ষমার অসীম
ঔদার্য মাধুর্যে
পবিত্র আজান-শঙ্খ শোনায়?
মৃত দীপুর পবিত্র দীপশিখায়
অধর্মে অভিশপ্ত ওই বিবেকহীনেরা
আত্মগ্লানিতে পুড়তে পুড়তে
শ্রীচৈতন্য হয়ে উঠুক।
তূয়া নূর সংখ্যা | কবিতা
বারবার নগ্ন হয়েই
অধর্মীদের ধর্মহীন লালসার কালো দিন
ঘনিয়ে উঠছে।
লাল চোখো আগ্রাসন,
আপামর বাঙালির রবীন্দ্রনাথ আর নজরুলের মানবতাকে।
পবিত্র আজান-শঙ্খ শোনায়?
অধর্মে অভিশপ্ত ওই বিবেকহীনেরা
আত্মগ্লানিতে পুড়তে পুড়তে
শ্রীচৈতন্য হয়ে উঠুক।

কবিতাটি আবেগের ধোঁয়াশা নয়, বরং কবির সুচিন্তিত বাস্তব সচেতনতার প্রতিমূর্তি। একটা নিপুণ ব্যালেন্স রয়েছে এখানে। যার একপারে চিৎকার করা স্লোগান, অন্যপারে গদগদ আবেগ। কবি কোনও প্রলোভনে পা দেননি। শেষে নৈরাশ্যবাদী অন্ধকারকে প্রত্যাখ্যান করে চেতনার গোষ্ঠীগত উন্মেষ কামনা করেছেন। যা কবির আলোক দিশারী মনের প্রকাশ। কবির জন্য শুভেচ্ছা রইল।
ReplyDeleteআপনার নাম জানতে পারলাম না।
ReplyDeleteতবু, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ আমার কবিতাটি পড়ে
মূল্যায়ন করার জন্য।
ধর্মান্ধকার চাই না।অসীম মানবালোক চাই।
এই হোক মানব চেতনা।।