বাতায়ন/আতঙ্ক/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/৩য় সংখ্যা/২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | ছোটগল্প
অঞ্জনা মজুমদার
সেই
সন্ধ্যার আতঙ্ক
আতঙ্ক | ছোটগল্প
অঞ্জনা মজুমদার
"কালো চাদরে মুড়ি দিয়ে এককাপ চা এগিয়ে দিল একটা হাত। চা নিতে গিয়ে হাতে হাত ঠেকে গেল। ভানুদাদার হাত যেন বড্ড বেশি ঠান্ডা! খসখসে গলার আওয়াজ আবারও শোনা গেল।"
-আতঙ্ক? একজনের একদিনের আতঙ্ক...
বিনি রিমি একসাথে বলে উঠল,
তুহিনাদেবী ধীরে ধীরে শুরু করলেন,
কালো চাদরে মুড়ি দিয়ে এককাপ চা এগিয়ে দিল একটা হাত। চা নিতে গিয়ে হাতে হাত ঠেকে গেল। ভানুদাদার হাত যেন বড্ড বেশি ঠান্ডা! খসখসে গলার আওয়াজ আবারও শোনা গেল।
-আমার গলা...
অবাক হলো সোমা। যাহোক বৃষ্টিতে ঠান্ডাটা বেড়েছে। চায়ে চুমুক দিল সোমা। আবারও চমকে উঠলো। চা-ও বরফের মতো ঠান্ডা। মুখে দিয়েই নামিয়ে রাখল সোমা। এত ঠান্ডা চা খাওয়া যায় না। বেঞ্চে চায়ের কাপটা নামিয়ে দাম দিতে যাবে, ওমা ভানুদাদা দোকান বন্ধ করে দিয়েছে। আচ্ছা, কাল চায়ের দামটা দিয়ে দেবে। বসে রইল সোমা অন্ধকারে ঘড়িও দেখা যাচ্ছে না। বড্ড শীত করছে। চাদরটা ভালো করে জড়িয়ে নিল সোমা। পা মুড়ে বেঞ্চে বসে হাঁটুতে মুখ ঢাকল। কানের কাছে আবার খসখসে গলার আওয়াজ। পয়সাটা আমার মেয়েকে দিয়ে দেবেন দিদিমণি। চমকে মাথা তুলে তাকাল সোমা। চোখের সামনে ভানুদাদার রক্তাক্ত মুখ। চোখ দুটো যেন ঠিকরে বেরোচ্ছে। ভয়ে আতঙ্কে চোখ বুজিয়ে ফেলল সোমা। গলা দিয়ে আতঙ্কে কোনও শব্দ বেরোলো না।
-মিস বোস… মিস বোস…
দূর থেকে আওয়াজ ভেসে এলো।
-কী হলো, আপনি কি ঘুমিয়ে পড়েছেন?
-ভানুদাদার? সোমার গলা কেঁপে গেল। আমি তো এইমাত্র ভানুদাদার দোকানে চা খেলাম।
-তা কী করে হবে? ওই দেখুন।
বলে মিঃ সিং হাত বাড়ালেন। একটা সাদা চাদরে ঢাকা দেহের ওপর থেকে হাওয়ায় মুখের ঢাকা সরে গেল। সেই ভানুদাদার রক্তাক্ত মুখ।
-ভানুদাদা…
বলে সোমা আতঙ্কে চিৎকার করে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাচ্ছিল, মিঃ সরকার ধরে নিলেন।
-সেই আতঙ্কের কথা সোমা কোনও দিন ভুলে যায়নি দিদিভাইরা।
বিনি আর রিমি একদম চুপ। রিমি গালে হাত দিয়ে শুনছিল। হঠাৎই বলে উঠল,
দুষ্টু আর বুদ্ধিমতী রিমির কথায় তুহিনাদেবী সম্বিত ফিরে পেলেন। বিনি বলল,
~~000~~

No comments:
Post a Comment