বাতায়ন/দেবকুমার মুখোপাধ্যায় সংখ্যা/কবিতা/৪র্থ বর্ষ/২০তম সংখ্যা/১০ই
কার্ত্তিক,
১৪৩৩
দেবকুমার মুখোপাধ্যায় সংখ্যা | কবিতা
হীরক বন্দ্যোপাধ্যায়
ঘন্টা পল অনন্তকাল
দূরে
চলে যাবে জানতাম, একসময় সবাই যায়
তাবলে এতখানি, ভাবলেই ধক করে ওঠে
সমস্তকিছু একটা মায়া
আমার কলেজের বন্ধু সুমন্ত বলেছিল
আমরা তখন খুব চা খেতাম
আমরা তখন কবিতা নিয়ে খুব তর্ক করতাম
গোল হয়ে বসে আমরা জীবন এবং মৃত্যুর মানদণ্ড বিচার করতাম
মনে
আছে তোমার সেসব কথা
কত কথা সব বোতলকে বোতল কবিতা
এখন তোমার ছেলেমেয়ে আত্মীয়স্বজন সবাই ডাকছে
তোমার স্কুল কলেজ লাইব্রেরির অজস্র
পঠনযোগ্য বই চিৎকার করে ডাকছে
তুমি শুনতে পাচ্ছ না
কী মজা, কী মজা!
আমি
দেখতে পাচ্ছি
তুমি একটা ডেকের উপর একটা লম্বা হ্যাট পরে বসে আছ আর হাতে একটা লম্বা চুরুট
চারিদিকে প্রশান্ত মহাসাগরের অতল জলরাশি
তবু
এখনও বিশ্বাস করতে ভয় পাই
ছবিটা চোখে ভাসলেই শিহরণ
পাতাঝরতে থাকে
তাকাতে পারি না
ভাতের থালায় বসলেই মাছি উড়ে যায়
পড়ে থাকে নিস্তব্ধ গলির চায়ের দোকান
দূরে চলে যাবে জানতাম, সবাই যায়
তাবলে এভাবে, ভাবলেই অজস্র আরশোলা
ওড়াওড়ি করে, মনে হয় কেউ নেই কিছু নেই
তবু কী ভয়ঙ্কর সেদিন
ছবিটা
চোখে ভাসলেই ধক করে ওঠে
দিন
ঘন্টা পল একাকার বছর শতক...
একথা
যদি আমরা জানতাম তাহলে
সবাই ফুল হয়ে যেতাম...
দেবকুমার মুখোপাধ্যায় সংখ্যা | কবিতা
হীরক বন্দ্যোপাধ্যায়
ঘন্টা পল অনন্তকাল
তাবলে এতখানি, ভাবলেই ধক করে ওঠে
সমস্তকিছু একটা মায়া
আমার কলেজের বন্ধু সুমন্ত বলেছিল
আমরা তখন খুব চা খেতাম
আমরা তখন কবিতা নিয়ে খুব তর্ক করতাম
গোল হয়ে বসে আমরা জীবন এবং মৃত্যুর মানদণ্ড বিচার করতাম
কত কথা সব বোতলকে বোতল কবিতা
এখন তোমার ছেলেমেয়ে আত্মীয়স্বজন সবাই ডাকছে
তোমার স্কুল কলেজ লাইব্রেরির অজস্র
পঠনযোগ্য বই চিৎকার করে ডাকছে
তুমি শুনতে পাচ্ছ না
তুমি একটা ডেকের উপর একটা লম্বা হ্যাট পরে বসে আছ আর হাতে একটা লম্বা চুরুট
চারিদিকে প্রশান্ত মহাসাগরের অতল জলরাশি
ছবিটা চোখে ভাসলেই শিহরণ
পাতাঝরতে থাকে
তাকাতে পারি না
ভাতের থালায় বসলেই মাছি উড়ে যায়
পড়ে থাকে নিস্তব্ধ গলির চায়ের দোকান
দূরে চলে যাবে জানতাম, সবাই যায়
তাবলে এভাবে, ভাবলেই অজস্র আরশোলা
ওড়াওড়ি করে, মনে হয় কেউ নেই কিছু নেই
তবু কী ভয়ঙ্কর সেদিন
সবাই ফুল হয়ে যেতাম...

No comments:
Post a Comment