স্পর্শ
তৈরি হয়ে বাসস্ট্যান্ডের দিকে যেতে অর্ণবের সাথে দেখা। পর্ণার ছেলে বুবুনের বেস্ট ফ্রেন্ডের বাবা অর্ণব। বাইকটা নিয়ে একদম গা ঘেঁষে দাঁড়ায়। কোথায় চললেন? অর্ণবের জিজ্ঞাসু চোখ। পর্ণার সাথে ছেলের দৌলতেই আলাপ। স্কুল কামাই করলে নোটস, পড়া জানতে একে অপরের দ্বারস্থ হয় কখনও কখনও। চুন-বালি-সিমেন্ট ব্যবসায়ী হ্যান্ডসাম তায় বিপত্নীক অর্ণবের একটা আকৃষ্ট করার ক্ষমতা আছে।
ব্যবসার কাজে অর্ণব ওই দিকেই যাচ্ছে, ওর সঙ্গে যাবার আবদার করল, পর্ণাও কেমন যেন ঝোঁকের বসে রাজি হয়ে গেল। গাড়ি স্টার্ট দিল, কাঁধে হাত রাখল পর্ণা। পথ এগিয়ে চলেছে, পর্ণার হাত কাঁধ থেকে কোমরে তারপর বুকের কাছে চলে এসেছে। বাম্পের ঝাঁকুনিতে খামছে ধরছে শার্টটা। ওর শরীরটা অর্ণবের পিঠ স্পর্শ করেছে, দুজনের পারফিউমের গন্ধ মিলেমিশে একাকার। পর্ণার হার্ট বিট ধাক্কা খাচ্ছে অর্ণবের পিঠে। ওরা পৌঁছালো ব্যারাকপুরে পর্ণার বাড়ি। গাড়িতেই বসে পর্ণা, অনেকদিন পরে একটা স্পর্শ ওকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছে।
অর্ণব গাড়ি থেকে নামে, হ্যান্ডসেকের মতো হাতটা বাড়িয়ে দিয়ে বলে, পাঁচটার আগেই ফিরব, অপেক্ষা কোরো চলে যেও-না। আপনিটা কখন যে তুমি হয়ে গেছে। পর্ণা হাতটা বাড়িয়ে দেয় ওর হাতে, অর্ণব দুটো হাত দিয়ে ওর হাতটা ধরে রাখে। কিছুক্ষণের নীরবতা। পর্ণা এগিয়ে যায় গেটের দিকে। একবার ঘুরে তাকায়, অর্ণব দাঁড়িয়ে আছে এদিকে তাকিয়ে, পর্ণা হাত নাড়ে। অর্ণব গাড়ি স্টার্ট দেয়, আসছি অপেক্ষা কোরো। বহু আকাঙ্ক্ষিত ভালবাসার স্পর্শে আন্দোলিত দুটি মন। গল্প শুরু এক পরকীয়া প্রেমের।
সমাপ্ত

GOOD
ReplyDeleteধন্যবাদ 🙏
Deleteবাস্তবতা ফুটে উঠেছে ছোটো গল্পে, খুব ভালো লাগলো।
ReplyDeleteEkdam thik.
ReplyDeleteধন্যবাদ 🙏
ReplyDeleteএভাবেই পরকীয়ার জন্ম হয়।
ReplyDeleteসুন্দর
ReplyDelete