স্যুইচ
“কী যে করো না, আগের বার এক ডজন রাখতে
দিলাম। জানো তো আমি ভুলে যাই। তোমার আবার কন্ডোম ছাড়া—” দ্বৈপায়ন বেরিয়ে গেল।
মঞ্জুলিকার হঠাৎ মনে হল, তমোঘ্ন প্রেশারের
ওষুধ সঙ্গে নিয়ে যায়নি। ভাবল, ফোন করে বলে দেয়— যেন কিনে নেয়। কিন্তু ফোন করতে গিয়ে
আশ্চর্য হল রুমের মধ্যেই তমোঘ্নর রিং টোন! আধ খোলা ড্রয়ারে চার্জ হচ্ছে। তমোঘ্নরই ফোন,
“দিল্লি মিটিং, দেখাচ্ছি মজা!” ফোন স্যুইচড অফ করে ব্যাগে রেখে দিল।
ঘণ্টাখানিক পর অ্যাটেন্ডেন্ট নক করল
দরজায়। বলল, “আগের স্যার ফোন ফেলে গেছেন বলছেন। ফোনটা দেখেছেন?”
দ্বৈপায়ন রেগে বলল, “না, নেই। ডিস্টার্ব
করবে না।” বলে আবার মঞ্জুলিকার বুকে মুখ গুঁজল। একটু পরে আবার অ্যাটেন্ডেন্ট নক করল,
“স্যার নিজে এসে খুঁজবেন। পাশের রুমটা খালি আছে। প্লিজ আর ডিস্টার্ব হবে না স্যার।”
ওরা তড়িঘড়ি পাশের রুমে গেল।
তমোঘ্ন হন্তদন্ত হয়ে ঢুকল। চার্জার
ও ফোনটা নেই। অন্য একটা ফোন টেবিলে। তমোঘ্ন ফোনটা নিয়ে ভাল করে দেখল এবং নিয়ে চলে গেল।
মঞ্জুলিকার হাত হঠাৎ কেঁপে গেল। মদের
গ্লাস পড়ে ভেঙে গেল। দ্বৈপায়ন বলল, “হোয়াট’স রং?”
মঞ্জুলিকা আর্ত কণ্ঠে বলল, “আমার ফোন!”
সমাপ্ত

No comments:
Post a Comment