বাতায়ন/কবিতা/১ম বর্ষ/২৯তম সংখ্যা/২৬শে মাঘ, ১৪৩০
কবিতা
শম্পা সামন্ত
চোখ
তুমি কি এই চোখের ভাষা পড়ো?
তুমি কি উপেক্ষা করো চোখ?
দীঘল কালো দীঘির চিরায়ত বর্ণমালা…
যাপিত অক্ষরমালার ভিতর দূরগামী পথ, সেখান থেকে নিভৃতে কোনো গ্রাম নিশ্চিন্তপুর। কোনো অরূপদর্শন, তার রূপ যেন আছড়ে পড়ছে সেই রূপনারাণের কুলে। যেন বহুবার ডেকেছে নদীকূলে ওই বিছানো চোখ। পরম সোহাগের কুলে। মেলে দেওয়া আদর।
তুমি কি উপেক্ষা করো চোখ?
দীঘল কালো দীঘির চিরায়ত বর্ণমালা…
যাপিত অক্ষরমালার ভিতর দূরগামী পথ, সেখান থেকে নিভৃতে কোনো গ্রাম নিশ্চিন্তপুর। কোনো অরূপদর্শন, তার রূপ যেন আছড়ে পড়ছে সেই রূপনারাণের কুলে। যেন বহুবার ডেকেছে নদীকূলে ওই বিছানো চোখ। পরম সোহাগের কুলে। মেলে দেওয়া আদর।
এই চোখে রেখেছ কি আত্মবিশ্বাস?
যেন এই টলটলে বিস্তৃত জলাশয়ে মুখ রেখেছ তুমি আর সেই জলে লেগে আছে নষ্ট চাঁদের গন্ধ। সেই অপাপবিদ্ধ সরোবরে আমি এক হাসের মতো স্মৃতিগন্ধে বার বার ডুব দিই, ভিজে ওঠে পালক। নীরবতার হাতছানি, নিগূঢ় প্রলাপের স্রোতে।
তুমি কি শুয়ে থেকে কল্পনায় ভেসে গেছ…
এই চোখের তারার উদ্বেগ আকাশের গায়ে নিশ্চল আলোকবর্তিকা জ্বেলে দিলে, নেশাতুর করে মদিরার মগ্নতায়। পুরুলিয়ার আদিম পাহাড়ের ভিতর কৃষ্ণবর্ণ কস্তুরীগন্ধা নারীর মতো, হরিণ নয়ন!
জানো কী! একদিন এই চোখ ঠিকঠাক পড়ে নিলে মদগর্বী আগুনের শিখা জ্বলে উঠবে, আর নীল শিখায় ক্ষীণ আলো জ্বলবে এক অভিজাত স্পর্শে। গভীর ধ্যানমগ্নতায়, শত শত আবিলতার জল্পনায়, জড়িয়ে পড়া, সমস্ত অনুভব শেখা হয়ে গেলে ক্লান্ত হয়ে গেলে অনির্বাণ দীপশিখার কাছে সমর্পণ কি চাও?
অনুভবের দরজা খুলে গেলে চোখের অসীমে একা নিপাট হয়ে সঁপে দিয়ে আবিষ্কার করো, দু চোখের মধ্যিখানে অগম্য পথরেখা, সেই তোমার বাসনা মণ্ডিত মুক্তি।
আলো জ্বলা চোখে নেচেছে ভৈরব, তোমারই চেতনা, তোমারই একান্ত সৌষ্ঠব?
যেন এই টলটলে বিস্তৃত জলাশয়ে মুখ রেখেছ তুমি আর সেই জলে লেগে আছে নষ্ট চাঁদের গন্ধ। সেই অপাপবিদ্ধ সরোবরে আমি এক হাসের মতো স্মৃতিগন্ধে বার বার ডুব দিই, ভিজে ওঠে পালক। নীরবতার হাতছানি, নিগূঢ় প্রলাপের স্রোতে।
তুমি কি শুয়ে থেকে কল্পনায় ভেসে গেছ…
এই চোখের তারার উদ্বেগ আকাশের গায়ে নিশ্চল আলোকবর্তিকা জ্বেলে দিলে, নেশাতুর করে মদিরার মগ্নতায়। পুরুলিয়ার আদিম পাহাড়ের ভিতর কৃষ্ণবর্ণ কস্তুরীগন্ধা নারীর মতো, হরিণ নয়ন!
জানো কী! একদিন এই চোখ ঠিকঠাক পড়ে নিলে মদগর্বী আগুনের শিখা জ্বলে উঠবে, আর নীল শিখায় ক্ষীণ আলো জ্বলবে এক অভিজাত স্পর্শে। গভীর ধ্যানমগ্নতায়, শত শত আবিলতার জল্পনায়, জড়িয়ে পড়া, সমস্ত অনুভব শেখা হয়ে গেলে ক্লান্ত হয়ে গেলে অনির্বাণ দীপশিখার কাছে সমর্পণ কি চাও?
অনুভবের দরজা খুলে গেলে চোখের অসীমে একা নিপাট হয়ে সঁপে দিয়ে আবিষ্কার করো, দু চোখের মধ্যিখানে অগম্য পথরেখা, সেই তোমার বাসনা মণ্ডিত মুক্তি।
আলো জ্বলা চোখে নেচেছে ভৈরব, তোমারই চেতনা, তোমারই একান্ত সৌষ্ঠব?
No comments:
Post a Comment