বাতায়ন/ডিভোর্স/কবিতা/৩য় বর্ষ/১০ম সংখ্যা/৯ই শ্রাবণ, ১৪৩২
ডিভোর্স | কবিতা
রতনলাল আচার্য্য
আবাদ
করলে ফলত সোনা...
আমাদের চেতনা এখন মধ্যাহ্নের
সমান বড়। ঢলে পড়া সূর্যের কাছে আর কিছুই নেই চাইবার। তোমরা যেটুকু আয়নায় দেখ সেটাই
কী সত্য হয় চরাচরে? আসল নকলের ফারাক
সবটাই বিম্বিত হয় না কালের দর্পণে। কত অমানুষও সারস্বত খুঁজে পায় জীবন সায়াহ্নে!
সময়ের বিবর্তনে এককলা চাঁদটাও পূর্ণতা পায় পক্ষকাল পরে।
চিন্তার বলিরেখা যতই ফুটুক
অবয়ব জুড়ে শেষটায় তুমিও হতে পারো দিনান্তের সার্থক পথিক। নদীয়ার পথে মাধুকরী করা
সন্তদের চোখেও স্বপ্ন ছিল উত্তরণের। জাগতিক বেশভূষায় অভ্যস্ত এই আমি কী করে বিদায় নিই রিক্তহস্তে?
ডিভোর্স | কবিতা
রতনলাল আচার্য্য
জানা-অজানার যুগপৎ লড়াই চলছে, চলুক। সময় তো থেমে নেই একেবারেই। কালের চিত্রপটে ইতিহাস হয়
না অনেক কিছুই। অসার জীবনের সার খুঁজতে যাঁরা করেছেন জীবন প্রণিপাত তাঁরা মহান।
সময়ের চোরাবালিতে হারিয়ে যায় না তাঁদের চিরাচরিত কারুকাজ। আবার যাযাবররাও হারিয়ে
যায় একেবারেই, সেটাই বলি কী করে?

মর্মস্পর্শী ঘটনার মর্মস্পর্শী উপস্থাপন।
ReplyDeleteখুব ই
মর্মস্পর্শী ঘটনার মর্মস্পর্শী উপস্থাপন। খুব সুন্দর একটি লেখা। ভালো লাগল।
ReplyDelete