বাতায়ন/কবিতা/৩য় বর্ষ/১৪তম/মণিজিঞ্জির সান্যাল সংখ্যা/২৩শে শ্রাবণ, ১৪৩২
মণিজিঞ্জির সান্যাল সংখ্যা | কবিতা
শিশির আজম
গীতা
মণিজিঞ্জির সান্যাল সংখ্যা | কবিতা
শিশির আজম
তুমি কি সত্যি গুরুকে
ভালবেসেছিলে, কতটা, জিজ্ঞেস করেছিলাম গীতাকে
মুখ থমথমে
চোখে উদাসীনতা
বাংলাদেশ থেকে যে মেয়েটা সদ্য
মুম্বাইতে ডেরা বেঁধেছে
মুম্বাইয়ের কিছুই সে চেনে না
সে কিছুই পারে না
গান গাওয়া ছাড়া
তাও নিজের বাড়িতে নিজের ঘরে
একাকী
যা একদিন পন্ডিত হনুমান প্রসাদের কানে গেল
আর উনি গীতাকে টেনে আনলেন মানুষের ভিড়ে
সেই ভিড়ে গুরুও ছিল
গুরু দত্ত
দক্ষিণ ভারতের ছেলে
সেও সময় আর দারিদ্র্যের প্যাঁচে তখন কলকাতা হয়ে মুম্বাইতে ঠায় গেড়েছে
আর খুব দ্রুতই জুটে গেছে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা
আর মদ
আর নারী
আর মুঠো মুঠো স্লিপিং পিল
কেন গুরুকে ভালবাসতে গেলে, জিজ্ঞেস করেছিলাম গীতাকে,
ওকে তুমি পার না ক্ষমা করতে—
চোখের নিচে কালি
ক্লান্তি
লিভার সিরোসিস
গীতা হাসলেন
এই হাসি কি গুরু দেখতে পেয়েছে
এই হাসি এই মহাভারতের হাসি, তুমি দেখনি অর্জুন
সে কিছুই পারে না
গান গাওয়া ছাড়া
তাও নিজের বাড়িতে নিজের ঘরে
একাকী
যা একদিন পন্ডিত হনুমান প্রসাদের কানে গেল
আর উনি গীতাকে টেনে আনলেন মানুষের ভিড়ে
সেই ভিড়ে গুরুও ছিল
গুরু দত্ত
দক্ষিণ ভারতের ছেলে
সেও সময় আর দারিদ্র্যের প্যাঁচে তখন কলকাতা হয়ে মুম্বাইতে ঠায় গেড়েছে
আর খুব দ্রুতই জুটে গেছে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা
আর মদ
আর নারী
আর মুঠো মুঠো স্লিপিং পিল
কেন গুরুকে ভালবাসতে গেলে, জিজ্ঞেস করেছিলাম গীতাকে,
চোখের নিচে কালি
ক্লান্তি
লিভার সিরোসিস
গীতা হাসলেন
এই হাসি কি গুরু দেখতে পেয়েছে
এই হাসি এই মহাভারতের হাসি, তুমি দেখনি অর্জুন

No comments:
Post a Comment