বাতায়ন/নৃপেন
চক্রবর্তী সংখ্যা/কবিতা/৩য় বর্ষ/২৮ সংখ্যা/১৪ই কার্ত্তিক,
১৪৩২
নৃপেন চক্রবর্তী সংখ্যা | কবিতা
সপ্তর্ষি বসু
পরিণতি
আমি তোমার হাত দিয়ে বিয়োগ
করতে শিখেছি,
বয়স তখন আমার বেগুন গাছের
মাথায়
সুড়সুড়ি বাতাসে সারা গায়ে কেন্নোর হুড়োহুড়ি
আমার জানলা দিয়ে তোমার গন্ধ পাওয়া যেত
বিড়াল আমি নিজেকে ভাবতাম, অথচ তোমার
চোখের তলায় লোভের কালো দাগ পড়ে গেছিল
সেসব বুঝতে আমার ঢের দেরি তখন, হালকা
ভেজানো দরজায় তোমার স্বপ্নরেণু ফেলে আসতাম
তারপর গভীর রাতে যেদিন ছটফট
করতে করতে
মাঝ আকাশের গোলাপি তারাটা মাথার মধ্যে ফেটে গেল
আমি খোলামাঠ ধরে দৌড়ে এসে তোমায় জাপ্টে ধরলাম
একটা ধূমকেতু এসে নোঙর করল আমার দূরবর্তী ধমনিতে
তারপর আমরা বহুকাল
ঢেউ-কুঁচকুঁচ খেলেছি প্রাণভরে
তোমার দুই ভ্রূর মাঝখানে এঁকে দিয়েছি নিজের কক্ষপথ
তখনও জানতাম না তুমি একদিন অচেনা হয়ে যাবে
তোমার পুরোনো প্রেমিক আর নবজাতকের বিষ্ঠায়
নৃপেন চক্রবর্তী সংখ্যা | কবিতা
সুড়সুড়ি বাতাসে সারা গায়ে কেন্নোর হুড়োহুড়ি
আমার জানলা দিয়ে তোমার গন্ধ পাওয়া যেত
চোখের তলায় লোভের কালো দাগ পড়ে গেছিল
সেসব বুঝতে আমার ঢের দেরি তখন, হালকা
ভেজানো দরজায় তোমার স্বপ্নরেণু ফেলে আসতাম
মাঝ আকাশের গোলাপি তারাটা মাথার মধ্যে ফেটে গেল
আমি খোলামাঠ ধরে দৌড়ে এসে তোমায় জাপ্টে ধরলাম
একটা ধূমকেতু এসে নোঙর করল আমার দূরবর্তী ধমনিতে
তোমার দুই ভ্রূর মাঝখানে এঁকে দিয়েছি নিজের কক্ষপথ
তখনও জানতাম না তুমি একদিন অচেনা হয়ে যাবে
তোমার পুরোনো প্রেমিক আর নবজাতকের বিষ্ঠায়

No comments:
Post a Comment