বাতায়ন/ক্ষণিকের অতিথি/কবিতাণু/৩য় বর্ষ/৪৪তম
সংখ্যা/২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২
ক্ষণিকের অতিথি | কবিতাণু
সলিল মুখোপাধ্যায়
অনন্তের
বুকে মুহূর্তরা ও অন্যান্য
অনন্তের
বুকে মুহূর্তরা
চকিতে মিলিয়ে যাওয়া ক্ষুদ্র
ঢেউয়ের মতোই
সময়ের অনন্ত সমুদ্রে এক-একটি জীবন।
এক ঢেউ মিলায়, নতুন ঢেউ ওঠে,
বেঁচে থাকে সগৌরবে
নিরন্তর-সত্তা,
যা আবার মহিমান্বিত ও বর্ণময়
করে যায়—
কোনো কোনো ঢেউ ঘটিয়ে আলোক বিচ্ছুরণ।
এক
চিলতে রোদ
অজস্র আকাশ সারাক্ষণ ঘিরে
রাখে
অনিশ্চয়তা আর আশঙ্কার ঘন কালো মেঘ।
কখনো-সখনো তাদের ফাঁকফোকর গলে
বেরিয়ে আসে আপাত-সুখের
এক চিলতে মায়াবী রোদ্দুর—
সে গভীর সমাদর পায়, আর যাবার সময়
দিয়ে যায় আগামীর পথে এগিয়ে চলার রসদ।
ফিরে
পাওয়া
বইমেলা মেলালো কতকাল পর,
আর একটুক্ষণ থাক।
চল একটু নিরালা খুঁজি,
নামাই মনের তাক থেকে প্রিয়
কবিতার বই,
পড়ি একসাথে, যেমনটা পড়তাম কলেজ বেলায়
বসে কলেজ স্কোয়ারের বেঞ্চে,
হেদুয়ার ঘাসে, আলো ছায়ায়।
মাশুল
কোনো কোনো ভুল চুপচাপ এসে
ঢুকে
এক কোণে বসে থাকে।
একসময় দেখি, যাকে আমি পাত্তা দিইনি,
যার অস্তিত্বও স্বীকার করিনি,
সে কখন পথ জুড়ে গর্ত খুঁড়ে
রেখে গেছে!
ক্ষণিকের অতিথি | কবিতাণু
সলিল মুখোপাধ্যায়
সময়ের অনন্ত সমুদ্রে এক-একটি জীবন।
এক ঢেউ মিলায়, নতুন ঢেউ ওঠে,
কোনো কোনো ঢেউ ঘটিয়ে আলোক বিচ্ছুরণ।
অনিশ্চয়তা আর আশঙ্কার ঘন কালো মেঘ।
কখনো-সখনো তাদের ফাঁকফোকর গলে
বেরিয়ে আসে আপাত-সুখের
এক চিলতে মায়াবী রোদ্দুর—
সে গভীর সমাদর পায়, আর যাবার সময়
দিয়ে যায় আগামীর পথে এগিয়ে চলার রসদ।
চল একটু নিরালা খুঁজি,
বসে কলেজ স্কোয়ারের বেঞ্চে,
এক কোণে বসে থাকে।

No comments:
Post a Comment