বাতায়ন/ক্ষণিকের অতিথি/কবিতা/৩য় বর্ষ/৪৪তম সংখ্যা/২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২
ক্ষণিকের অতিথি | কবিতা
বিকাশ চন্দ
অনিন্দ্য
সৃজনে ভাসে মেঘের সাঁতারে
এভাবেই ঝুলে আছি নিশানাহীন
শূন্যের বৃত্তে
চেনা মানুষের থেকে আরও কিছু শেখা বাকি
ক্ষণজন্মা সময়ে খুঁজেছি বারংবার অস্ফুটস্বরে
যদি পাই তবে জেনে নেওয়া যাবে কে এই নশ্বর আমি
প্রথম আলোর মুক্তি মাটি ছুঁয়ে কার কোলে নিসর্গ উষ্ণতা
যা কিছু অবশেষ না জানা যন্ত্রণাটুকু বেঁধেছে চিত্ররেখা
কোনো হৃদয়ের তাপে চোখ মুখ হাত পা যাই বলো
যার ছিল শোক তারই ছিল আনন্দের শ্লোক
আটপৌরে কাপড়ে দেখেছি দু'চোখে মিনতি
শরীরের স্পর্শে হাতের ছোঁওয়ায় জমিনে জীবন জাগে
চেনা মানুষ বদলে গেলেও জেগে থাকে চিত্ররেখায়
যার উজ্জ্বলতায় এখনো বিভ্রান্ত মূর্তিমান আমি
উত্তরাধিকারে পাওয়া সব কিছু
স্মরণের প্রতিবিম্ব
অপূর্ণ অবয়ব প্রাচীনা প্রতিকৃতি একই পাথরে হৃদয়ে
এখনো উজ্জীবিত কোথায় আমি বলি তোমার অনুগামী
উৎসর্গপত্রে লিখে দিয়ে যাচ্ছি দেহ প্রাণ আনন্দ আত্মার
আমাকে কে শেখালো ঘাস মাটি জল আহার সূর্য আলো
সে কেমন কোথায় অনিন্দ্য সৃজনে ভাসে মেঘের সাঁতারে
ক্ষণিকের অতিথি | কবিতা
বিকাশ চন্দ
চেনা মানুষের থেকে আরও কিছু শেখা বাকি
ক্ষণজন্মা সময়ে খুঁজেছি বারংবার অস্ফুটস্বরে
যদি পাই তবে জেনে নেওয়া যাবে কে এই নশ্বর আমি
প্রথম আলোর মুক্তি মাটি ছুঁয়ে কার কোলে নিসর্গ উষ্ণতা
যা কিছু অবশেষ না জানা যন্ত্রণাটুকু বেঁধেছে চিত্ররেখা
কোনো হৃদয়ের তাপে চোখ মুখ হাত পা যাই বলো
যার ছিল শোক তারই ছিল আনন্দের শ্লোক
শরীরের স্পর্শে হাতের ছোঁওয়ায় জমিনে জীবন জাগে
চেনা মানুষ বদলে গেলেও জেগে থাকে চিত্ররেখায়
যার উজ্জ্বলতায় এখনো বিভ্রান্ত মূর্তিমান আমি
অপূর্ণ অবয়ব প্রাচীনা প্রতিকৃতি একই পাথরে হৃদয়ে
এখনো উজ্জীবিত কোথায় আমি বলি তোমার অনুগামী
উৎসর্গপত্রে লিখে দিয়ে যাচ্ছি দেহ প্রাণ আনন্দ আত্মার
আমাকে কে শেখালো ঘাস মাটি জল আহার সূর্য আলো
সে কেমন কোথায় অনিন্দ্য সৃজনে ভাসে মেঘের সাঁতারে

No comments:
Post a Comment