বাতায়ন/আতঙ্ক/কবিতা/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | কবিতা
শিখর চক্রবর্তী
সজল
ফেরেনি
ওরা খুঁজছিল সজলকে,
সজলকে ওদের খুব দরকার।
ভারী বুটে অন্ধকার মাড়িয়ে, গলির মুখ থেকে
কলতলা, চানঘরে, চিলেকোঠায়।
পাতলা যৌবন, গ্যেভারা আর জলপাই চোখ,
কবিতার খাতা, শ্যামলির সাথে লুকিয়ে দেখা,
ছ'টা টিউশন হাতখরচ,
বাকিটা
সূর্যের মতো বেকার।
সেই সজলকে খুঁজছিল ওরা।
সকাল থেকে আকাশ মেঘভার, মেঘনার চর,
জনা গুটি চার, হাতে হ্যান্ডবিল,
বুকে
দেশলাই
তখনই যেন গোধূলি হলো রাঙা আলোয়।
গলির মুখে কালো খাঁচা গাড়ি
থেকে রাত নামে।
শ্বাপদের চোখে লেখা হয় সন্ধান চাই।
হাঁফ টানা মায়ের বাড়া ভাতে জল ঢালা হয়,
তবুও সজল ফেরে না।
সজলের কাজলা দিদি কুঁকড়ে
যায় চিলেকোঠায়
হায়নার চোখ এড়ায় অন্য রাতের মতোই।
সকালের রাষ্ট্রীয় কলামে
নিরুদ্দেশ ঘোষণা হয়।
একটা দেশলাই বুকে বিপজ্জনক সজলকে খোঁজে সবাই, পরিবার, শ্যামলি ও রাষ্ট্র।
মেঘনার চরে আবার সন্ধ্যা নামে, সজল ফেরে না।
সজলরা আর ফেরে না।
আতঙ্ক | কবিতা
শিখর চক্রবর্তী
ভারী বুটে অন্ধকার মাড়িয়ে, গলির মুখ থেকে
কলতলা, চানঘরে, চিলেকোঠায়।
সেই সজলকে খুঁজছিল ওরা।
তখনই যেন গোধূলি হলো রাঙা আলোয়।
শ্বাপদের চোখে লেখা হয় সন্ধান চাই।
হাঁফ টানা মায়ের বাড়া ভাতে জল ঢালা হয়,
হায়নার চোখ এড়ায় অন্য রাতের মতোই।
একটা দেশলাই বুকে বিপজ্জনক সজলকে খোঁজে সবাই, পরিবার, শ্যামলি ও রাষ্ট্র।
মেঘনার চরে আবার সন্ধ্যা নামে, সজল ফেরে না।
সজলরা আর ফেরে না।

No comments:
Post a Comment