বাতায়ন/আতঙ্ক/কবিতা/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | কবিতা
সূপর্ণা চন্দ
পথ
হেঁটেছি অন্ধকারে
আপনি আছেন বলেই পথটা চিনেছি
অন্ধকারে হেঁটেও আলো খুঁজেছি।
শব্দের ভেতরে অর্থ খুঁজতে খুঁজতে
আপনার দেখানো স্বপ্নগুলোই বুনেছি।
চার দেওয়ালের সীমা পেরিয়ে
একদিন
সম্পর্কটা অন্য রঙে রঙিন হলো—
শুধু শিক্ষক-এর গন্ডি ছাড়িয়ে আপনি
আমার সাহস, আমার ভরসার আলো।
আজ শুনি আপনি হয়তো দূরে
কোথাও
এই রসুলপুর ছেড়ে অচেনা শহরে—
ভাবলেই বুকের ভেতর হালকা শূন্যতা
কিছু কথা থেমে থাকে নীরবতায়।
তবুও জানি, দূরত্ব মানেই হারিয়ে যাওয়া নয়
আপনি তো রয়ে যাবেন প্রতিটি উচ্চারণে—
যে স্বপ্ন আপনি জাগিয়ে দিয়েছেন নীরবে
তা আজও বেঁচে আছে আমার প্রতিটি প্রয়াসে।
আপনি না থাকলেও, শেখানো পথটা আছে
আপনার ছোঁয়া লেগে আছে প্রতিটি লেখায়—
এই ভালবাসা নীরব, তবুও অটুট
সময়ের স্রোতেও যা কখনো হারায় না।
যদি কোনোদিন আবার দেখা হয়
হঠাৎ
চোখে চোখে হয়তো অনেক কথা বলব—
বলব— আপনি ছিলেন বলেই আজ আমি
আর নীরবে সেই কৃতজ্ঞতায় মাথা নত করব...
আতঙ্ক | কবিতা
সূপর্ণা চন্দ
অন্ধকারে হেঁটেও আলো খুঁজেছি।
শব্দের ভেতরে অর্থ খুঁজতে খুঁজতে
আপনার দেখানো স্বপ্নগুলোই বুনেছি।
সম্পর্কটা অন্য রঙে রঙিন হলো—
শুধু শিক্ষক-এর গন্ডি ছাড়িয়ে আপনি
আমার সাহস, আমার ভরসার আলো।
এই রসুলপুর ছেড়ে অচেনা শহরে—
ভাবলেই বুকের ভেতর হালকা শূন্যতা
কিছু কথা থেমে থাকে নীরবতায়।
আপনি তো রয়ে যাবেন প্রতিটি উচ্চারণে—
যে স্বপ্ন আপনি জাগিয়ে দিয়েছেন নীরবে
তা আজও বেঁচে আছে আমার প্রতিটি প্রয়াসে।
আপনার ছোঁয়া লেগে আছে প্রতিটি লেখায়—
এই ভালবাসা নীরব, তবুও অটুট
সময়ের স্রোতেও যা কখনো হারায় না।
চোখে চোখে হয়তো অনেক কথা বলব—
বলব— আপনি ছিলেন বলেই আজ আমি
আর নীরবে সেই কৃতজ্ঞতায় মাথা নত করব...

No comments:
Post a Comment