বাতায়ন/আতঙ্ক/কবিতা/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | কবিতা
হীরক বন্দ্যোপাধ্যায়
এখন
কী মনে করে
প্রত্যেকের বন্ধুত্বের মাঝে
আমি একটি অসমাপ্ত নদী জোনাক রেখার মতো এঁকে রাখি
অথবা একটি কমাচিহ্ণ যদি পাছে ভুলে যাই নিজস্ব একান্ত আমার কোনো নীল-লাল ডায়েরি নেই
যাতে মাঝে মাঝে জমজমাট গৃহস্থলির কথা মনে পড়ে কিংবা নকুলদানার বিষয়ে অন্তঃসার শূন্য কোনো কথা, কেউ যদি কিছু বলে
কী খবর এখন কী মনে করে...
ছন্দ মেলাব ছত্র মেলাব কোথায়
আমাদের নিম্ন বুনিয়াদী বিদ্যালয়ের অশোক
দুঃস্বপ্নের বুকে শীলমোহরের মতো ভেসে ওঠে জেগে থাকে, তখন কোথায় কুয়াশার স্তর, সমস্ত ঠিকানা কবে ছবি হয়ে গেছে
দাঁতে দাঁত চেপে আমি সেই মিলন সহ্য করি
মুখ গোমড়া কিংবা গল্পগুজবে মেতে ওঠা অরিন্দম কৃষ্ণেন্দু তৃষ্ণা সুলতা বকুল গাছের ডালে শালিকের মতো টুসকি দিয়ে চলে যায়
এইসব সেমিকোলনের পাশে আমাদের বাঁচা
কারো গায়ে ওভারকোট কারো হাতে গরম দস্তানা
যে যার বাড়িতে আছে অশীতিপর হয়নি এখনো
যদিও আর কিছুদিন বাদে ভস্মভূমি ঠিক গ্রাস করে নেবে তখন একে অপরের বাড়ি চিনতে কষ্ট হবে খুব...
আতঙ্ক | কবিতা
হীরক বন্দ্যোপাধ্যায়
অথবা একটি কমাচিহ্ণ যদি পাছে ভুলে যাই নিজস্ব একান্ত আমার কোনো নীল-লাল ডায়েরি নেই
যাতে মাঝে মাঝে জমজমাট গৃহস্থলির কথা মনে পড়ে কিংবা নকুলদানার বিষয়ে অন্তঃসার শূন্য কোনো কথা, কেউ যদি কিছু বলে
কী খবর এখন কী মনে করে...
ছন্দ মেলাব ছত্র মেলাব কোথায়
আমাদের নিম্ন বুনিয়াদী বিদ্যালয়ের অশোক
দুঃস্বপ্নের বুকে শীলমোহরের মতো ভেসে ওঠে জেগে থাকে, তখন কোথায় কুয়াশার স্তর, সমস্ত ঠিকানা কবে ছবি হয়ে গেছে
দাঁতে দাঁত চেপে আমি সেই মিলন সহ্য করি
মুখ গোমড়া কিংবা গল্পগুজবে মেতে ওঠা অরিন্দম কৃষ্ণেন্দু তৃষ্ণা সুলতা বকুল গাছের ডালে শালিকের মতো টুসকি দিয়ে চলে যায়
এইসব সেমিকোলনের পাশে আমাদের বাঁচা
কারো গায়ে ওভারকোট কারো হাতে গরম দস্তানা
যে যার বাড়িতে আছে অশীতিপর হয়নি এখনো
যদিও আর কিছুদিন বাদে ভস্মভূমি ঠিক গ্রাস করে নেবে তখন একে অপরের বাড়ি চিনতে কষ্ট হবে খুব...

No comments:
Post a Comment