বাতায়ন/রম্যরচনা/১ম বর্ষ/২৯তম সংখ্যা/২৬শে মাঘ, ১৪৩০
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
সরাসরি
-- এই এই কে তুমি, ওদিক পানে কোথায় যাও?
-- একটুখান ঘুইরা দ্যাখতেছিলাম এই আর কী!
-- শালা মগের মুলুক না কি? এটা স্বর্গ! ঘুরতাছো মানে কী?
-- এইকেবারে লুতন আর প্রেথম, তাই দেখনের লগে...
-- আরে? এ দেখি একটা বাঙাল? নুতন মানে? তোমারে এইখানে আনলে কে? নাম কী তার?
-- দেখেন অতশত জানতি পারি নাই তার নাম-ধাম। ছিল বটে তার একখান চায়ের দুকান, নাম হইল গিয়ে, ভুইলেই গেলাম, একবারই শুনছি কী য্যান, সুদির, না ফুদির কইল তো কী একডা...
-- সে আবার কে রে? এখানের ঢুকবার পারমিশান কী করে দিল রে? পলিটিশিয়ান? কোন পার্টি? কোন রং?
-- একজনেরে তো পাইলাম। সে নিজেরে ন্যাতা আর তার ওই পার্টিরে এক পাঁচমিশালি দলই তো কইলো। রং ফ্যাকাশে, হইবো গিয়া বিক্ষুব্ধ, না পাইয়া না পাইয়া, ভিজেবামাকুল পার্টি খুইল্যা কামানোর ধান্দা করত্যাছে।
-- উরিঃ বাপ! আবার নতুন পার্টি?
-- লুতন লয়, এক পার্টি হইতে আরো উন্য পার্টি, উই একই হইল। আমার দুঃখ দেইখ্যা ওই সুদীপ চায় ফেরিওয়ালা একদিন আমারে কইলো,
-- আর বাঁচার ইচ্ছে আছে?
-- লারে বাপ, তা আর লাই।
-- উপরে যাইবা? আমার কাছে এক সোজা রাস্তা আছে।
-- সেইড্যা ক্যামন?
-- ইচ্ছে হলে ফোন নম্বর দে, আমি উপরে দিয়ে দিচ্ছি, ওরা ডেকে লেবে।
তা উনারে ফোন দিতেই দুই দিনেয় ডাক পাইলাম। উরা ইখানের ফাইলে সব ম্যানেজ হয়ে গেল। নীচে সুধীর আর উপরে ফুদীর মিলে ভাল খেল দিল। আমার কপাল খুইলা চৌকুশ!
সমাপ্ত
No comments:
Post a Comment