বাতায়ন/আতঙ্ক/কবিতা/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | কবিতা
তূয়া নূর
আতঙ্কের
ডানা
একটা ভীষণ আতঙ্কের ভেতর আমার
মতো
এই জগতের মানুষেরা জবুথুবু,
বাইরের বাতাসে বিষের বাষ্প
ফুসফুস পুড়ায়ে কালো করে।
কাগজের পাতায়, ফেসবুকে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের নির্ভুল নিশানায়
নিহত ১৬৮ শিশুর মুখ, স্কুল ব্যাগের ছবি,
দেখতে না চাইলেও চোখের ওপর হামলে
পড়ে।
মা মা বাবা বাবা বলে চিৎকার করছে নিহতের সন্তান—
বুকের ভেতরটা ফেটে যায়।
আকাশের দিকে তাকাতে ভয় হয়
বাজপাখিগুলো দেখে মনে হয় বি-টু বোমারু বিমান,
আমার তারা দেখা আকাশ ফেলেছে
ঢেকে
এখনই ঝরে পড়বে বৃষ্টির বোমা
পৃথিবীর হৃৎপিণ্ডে করবে আঘাত,
তছনছ করে দেবে বসতবাড়ি, মানব জমিন,
পারমাণবিক বোমায় ঝলসে যাবে
বুকে আগলে রাখা দুধের শিশু।
আমি ভয়ে মাকে ডাকি সন্ত্রস্ত ছোট্ট বালকের মতো।
বিড়বিড় করে পড়ি একটা বাক্য—
মা আমাদের শিখিয়েছিল এক যুদ্ধের বছরে,
যে বাক্যটা পাঠ করেছিলো ইউনুস
নবী মাছের পেটে
ভীষণ বিপদের অন্ধ বিবরে
স্থির বিশ্বাস নিয়ে।
আতঙ্ক | কবিতা
তূয়া নূর
এই জগতের মানুষেরা জবুথুবু,
কাগজের পাতায়, ফেসবুকে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের নির্ভুল নিশানায়
নিহত ১৬৮ শিশুর মুখ, স্কুল ব্যাগের ছবি,
মা মা বাবা বাবা বলে চিৎকার করছে নিহতের সন্তান—
বুকের ভেতরটা ফেটে যায়।
আকাশের দিকে তাকাতে ভয় হয়
বাজপাখিগুলো দেখে মনে হয় বি-টু বোমারু বিমান,
এখনই ঝরে পড়বে বৃষ্টির বোমা
পৃথিবীর হৃৎপিণ্ডে করবে আঘাত,
আমি ভয়ে মাকে ডাকি সন্ত্রস্ত ছোট্ট বালকের মতো।
বিড়বিড় করে পড়ি একটা বাক্য—
মা আমাদের শিখিয়েছিল এক যুদ্ধের বছরে,
ভীষণ বিপদের অন্ধ বিবরে
স্থির বিশ্বাস নিয়ে।

No comments:
Post a Comment