বাতায়ন/কবিতাণু/১ম বর্ষ/২৯তম সংখ্যা/২৬শে মাঘ, ১৪৩০
কবিতাণু
সুশান্ত সেন
প্রাপ্তি ও আরো তিন
প্রাপ্তি
জীবনটা সুতোর টানে ঘুড়ির মতো
পাক খেতে খেতে
উড়ে উড়ে চলেছে।
সামনের খালি রাস্তায় পাক খায়
শুকনো পাতা আর শীতের বাতাস।
একটু আগেই দরজায় বেল বাজিয়ে
ঈশ্বর ফিরি করে গেলেন - বুকলেট।
আসা
এখনো ফিরে আসেনি সন্ধ্যা
তাই দুরুদুরু বুকে
মেঘের আঁচলে মুখ মুছে অনেকক্ষণ হল
তারা'রা অপেক্ষা করছে।
চা-এর জল ফুটে চলেছে অবিরাম।
গ্যাসের কুকিং রেঞ্জ বন্ধ করা হয়নি।
বাড়ি
এখানে ছাড়া ছাড়া বাড়ি
অনেকটা করে জায়গা নিয়ে
একতলা দোতলা, কাঠের।
মাথায় ত্রিভুজ ছাদ বরফ গড়ানো
বাইরের হিমাঙ্কের নীচে নামা শীত, অপেক্ষায়,
বাড়িতে ঢোকেনি।
উত্তাপের নবটা ঘুরিয়ে দিয়েছি।
কবিতা
কবিতার মাথামুণ্ডু আশপাশ চিবিয়ে চিবিয়ে
রস খেয়ে নিয়ে ছিবড়ে করার পর
মনে হল সকালের প্রাতরাশ টেবিলেই আছে
ছোঁওয়া কারো পায়নি এখনও।
ঠান্ডা হয়ে গেছে বলে ম্যাইক্রোওয়েভটি
ওঁত পেতে আছে।
পাক খেতে খেতে
উড়ে উড়ে চলেছে।
সামনের খালি রাস্তায় পাক খায়
শুকনো পাতা আর শীতের বাতাস।
ঈশ্বর ফিরি করে গেলেন - বুকলেট।
তাই দুরুদুরু বুকে
মেঘের আঁচলে মুখ মুছে অনেকক্ষণ হল
তারা'রা অপেক্ষা করছে।
গ্যাসের কুকিং রেঞ্জ বন্ধ করা হয়নি।
অনেকটা করে জায়গা নিয়ে
একতলা দোতলা, কাঠের।
মাথায় ত্রিভুজ ছাদ বরফ গড়ানো
বাইরের হিমাঙ্কের নীচে নামা শীত, অপেক্ষায়,
বাড়িতে ঢোকেনি।
রস খেয়ে নিয়ে ছিবড়ে করার পর
মনে হল সকালের প্রাতরাশ টেবিলেই আছে
ছোঁওয়া কারো পায়নি এখনও।
ওঁত পেতে আছে।
No comments:
Post a Comment