বাতায়ন/কবিতা/১ম বর্ষ/১৮তম
সংখ্যা/২২শে ভাদ্র, ১৪৩০
কবিতা
নিমাই জানা
নিশাচর বাবার অন্তরাত্মা ও লাল ঘাতকের সরীসৃপ
এরিথ্রোসাইন (π~ভদকা রক্ত ) রক্তাক্ত তিন ডেসিমিটার গভীর করোটি
ভর্তি সরীসৃপের মতো মাথার স্নায়ুতন্ত্রের যে ঘোড়াগুলো উল্টো মুখে শুয়ে আছে জবাই
করা ভেড়াটির মতো তার পায়ের কাছে অদৃশ্য বারুদ গন্ধ নিয়ে আজ ১৫৩৬ জন অশ্বারোহীকে
পিরামিডের লাল মৃত্যু রস খাওয়ালাম এক চামচ নরম ক্যালসিয়াম কার্বনেট দিয়ে,
আমার গর্ভবতী মা আমাকে নবম গ্রহে ছেড়ে দিয়ে আমার
পাশেই উলঙ্গ নৃত্য করেছিল সরাইখানার উত্তপ্ত কসাই থালার উপর, আমি হেক্সাগনাল
পায়ুপথ পরিষ্কার করছি দুই হাতে,
আমার জন্ম নক্ষত্রের সব আদিভৌতিক ব্যবস্থাপত্রে
বাবা শুধু হলুদ বমির মতো শিলাদিত্য জমজ বীর্যরস উগরে দিয়ে নাভি বিন্দুর চার পাশে
পরাবাস্তব সাপেদের পুড়িয়ে পুঁতে দিচ্ছিল বীভৎস চিকিৎসার মতো,
ল্যামডা দৈর্ঘ্যের বস্ত্রালয়ে ঈশ্বর গুপ্তচর সেজে
শুয়ে আছেন তার বাম হাতের কিছু অব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে, চাঁদ পোড়ানো কিউবিক
রাবার থেকে ঝুলছে আমারই নিজের অদৃশ্য আত্মহত্যার শরীরক্যানসার ভর্তি দীর্ঘ পেট নিয়ে আমি শুধু গর্ভের ভেতরে থাকা প্লাসেন্টার যৌগিক সাপেদের বিষের সাথে ছড়িয়ে দিচ্ছি উর্বর মাটির নীল নীল রক্ত চন্দনের বীজ, ধ্বংসপ্রাপ্ত ক্ষীরোদ উপসাগরের তীরে আমরা তখন মৃতজীবী পাথরকুচির চেরা সাপের অনন্ত শূন্য নক্ষত্রপুঞ্জ হয়ে গেলাম, মাথায় আকরিকের বর্ষা গেঁথে দিচ্ছে যোগীদের পরমহংস তত্ত্ব ঘোড়া, খেদ, রূপক নির্গুণ সমাহার, কৃষ্ণমার্ক, শুক্রবার অনন্ত পথ সম্প্রদান পুনর্জন্ম সবাই সবাই ঈশ্বরের পরিত্যক্ত ক্ষরণ
যুদ্ধ পরবর্তী আগ্নেয়াস্ত্রের নরম ঠোঁটগুলোতে কৃষ্ণনগরের নৃপতি বসে থাকে বলে আমাদের দক্ষিণায়ন শরীরগুলো ছেড়ে এখনই পুনর্জন্মের ১১টি ঘোড়া মৃত্যুর নরকুন্ডে অযোনি স্রাবপথ থেকে ফিরে আসে নিজেদের ঠোঁটে ঝুলে থাকা জীবাশ্ম ভর্তি লাল সরোবরের অশ্লীল স্নানঘর নিয়ে, শামুকেরাই বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে নিশাচর রমণের মতো
আয় শকুনি আয় চেকার বোর্ড খেলি মেন্ডেলিফের হিমোফিলিয়া ড্রাগন মাছিদের রক্ত চক্ষুর ভেতরে থাকা দু’মুখো সাপের উন্মত্ত স্বায়ত্তশাসনের সাথে, গতকাল অষ্টম মন্বন্তরের চতুর্থ জাতক ক্রেতার আর্যভট্টকে হত্যা করেছিলাম শ্মশানের অবনি অণিমা সংকেত দিয়ে, বাবা শুধু নেশাচুরের অঙ্কুর জড়ো করছেন

No comments:
Post a Comment